চট্টগ্রাম-৪ সংসদীয় আসনের নির্বাচনী ফলাফলকে ঘিরে নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছেন, এ আসনে নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোটাররা আবারও তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেতে পারেন।
মঙ্গলবার আপিল বিভাগের রায়ের পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। এর আগে দেশের সর্বোচ্চ আদালত ঋণখেলাপির অভিযোগের ভিত্তিতে বিএনপির নির্বাচিত প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করে দেন। এর ফলে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার সুযোগ হারান।
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসনের নির্বাচনী প্রক্রিয়া নতুন করে পরিচালনার বিষয়ে সাংবিধানিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ পর্যালোচনার পর নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করলেও, সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়। পরে হাইকোর্ট তার প্রার্থিতা বহাল রাখেন।
পরবর্তীতে একই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন। আপিল বিভাগ আবেদনটি গ্রহণ করে গত ৩ ফেব্রুয়ারি নির্দেশ দেন যে, আসলাম চৌধুরী নির্বাচিত হলেও আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই আসনের নির্বাচনী ফল কার্যকর হবে না।
সবশেষে আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসনের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর সংশ্লিষ্ট সবার।
পূর্বকোণ/পিবিরা

















