‘দেড় শতাধিক পরিবার নিয়ে বসতি ছিল হাজারো মানুষের। দইজ্যা (সাগর) আমাদের বসতঘর, জায়গা-জমি, পুকুরসহ গিলে খেয়েছে। তারপরও স্থায়ী বেড়িবাঁধ হয়নি।’ কথাগুলো বলেন প্রেমাশিয়া গ্রামের ইমাম শরীফ। ৫৭ বছর বয়সী ইমাম শরীফ বলেন, ১৯৯১ সালে ভয়াল ২৯ এপ্রিল ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে এই গ্রামে ৬ শতাধিক মানুষ ও কয়েক হাজার গবাদি পশু মারা গেছে। তারপরও এখনো স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। বাঁশখালী উপকূলীয় ছনুয়া, গণ্ডামারা, বাহারছড়া, খানখানাবাদ, শীলকূপ, সাধনপুরে কিছু অংশে জোয়ারের পানি ঢুকে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ মারা যায়। […]