কক্সবাজারের টেকনাফে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদ বিভক্তিকরণ ও সীমানা নির্ধারণসহ গণশুনানি চলাকালে বিক্ষুব্ধ জনতার হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেল ৩টায় হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।
অন্যদিকে, বিভক্তি বিরোধীতাকারী কর্তৃক হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়কে অবরোধ করে। ঘণ্টাব্যাপী এ অবরোধে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদ বিভক্তিকরণসহ সীমানা নির্ধারণের বিষয়ে গণশুনানি শুরুর পর একদল বিক্ষুব্ধ লোক ইউনিয়ন পরিষচেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন জিদে এসে স্লোগান দিতে শুরু করে। একপর্যায়ে তারা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ভাঙচুর করে। এ সময় হামলায় অন্তত ৪-৫ জন আহত হন। ঘটনার পরপরই পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
হামলার ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের বিভিন্ন আসবাবপত্র ও কক্ষের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস.এম.অনীক চৌধুরী জানান, হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদ পৃথকীকরণে সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা কর্তৃক স্থানীয়দের নিয়ে গণশুনানি শুরু হওয়ার আগেই ব্যাপক হট্টগোল হয়। এতে স্থানীয় লোকজন কর্তৃক ব্যাপক ভাংচুর চালান। পরে পুলিশ পাঠিয়ে ঘটনাস্থল থেকে সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তাসহ অন্যদের উদ্ধার করা হয়।
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহজালাল বলেন, পরিষদে হামলা, ভাংচুর পরিকল্পিত। হামলাকারীরা হঠাৎ ব্যানার, পেস্টুন কোথায় পেল প্রশ্ন তুলেন। তিনি আরও বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। যারা হামলা করেছে, তারা আগে থেকেই ব্যানার-প্ল্যাকার্ড নিয়ে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিল।
একপর্যায়ে তারা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জেনেছি। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর আমরা নিরাপদে সেখান থেকে চলে আসি।
পূর্বকোণ/কায়ছার/এএইচ
















