ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ফটিকছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। মূলত নদী-খালের বাঁধ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করায় এই পরিণতি। বিশেষ করে উপজেলার রোসাংগিরী, হারুয়ালছড়ি, সুন্দরপুর ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এসব পানিবন্দি মানুষদের উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় সাংসদ সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন।
দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য মোতায়ন সেনাবাহিনীর ৫২ জনের একটি দল হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন পানিবন্দি এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন। এদিকে হালদার পানি বিপৎসীমার ২০ সে.মি নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
উপজেলার জন্য ত্রাণ মন্ত্রণালয় হতে ৩০টন চাল ও কয়েকদিনের জন্য আড়াই লক্ষ টাকা অনুদান এসেছে বলে জানা যায়।
ফটিকছড়ির সাংসদ সরোয়ার আলমগীর এমপি বলেন- ১০ জুলাই সকালে হালদার পাড়ে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিজ হাতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দিয়েছেন। আমি নিজেও বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছি। যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, সরকার হতে ফটিকছড়ির জন্য ত্রাণ সহায়তা পেয়েছি। এলাকার পানিবন্দি মানুষের হাতে সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। জরুরি সংস্কার কাজও আমরা শুরু করেছি। ফটিকছড়ির সার্বিক বিষয়ে সব সময় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
পূর্বকোণ/সিজান/পারভেজ















