১৩ আগস্ট অস্ট্রেলিয়ার মূল দলের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে মাঠে নামার আগে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিনদিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ার পর মেহেদী হাসান মিরাজের সেঞ্চুরিতে ২৬৩ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। জবাবে ৩৫৫ রানে অলআউট হয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। একটা সময় ১৩৯ রানে স্বাগতিকদের ৫ উইকেট তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ বোলাররা। কিন্তু ট্যাগ উইলি সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দলকে এগিয়ে দেন। ১৭৭ বলে ১৬ বাউন্ডারিতে ১৩০ রান করে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন তিনি। হাসান মাহমুদ নেন ৪ উইকেট। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন খালেদ আহমেদ ও এবাদত হোসেন। ৯২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয়বার ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। সাদমান ইসলাম ফিরে গেছেন ৬ রান করে। মুমিনুল হকও ৬ রানের বেশি করতে পারেননি। ২ উইকেটে ১৯ রান নিয়ে তৃতীয় দিনে খেলতে নামবে টাইগাররা। তানজিদ হাসান তামিম অপরাজিত আছেন ৭ রানে। সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় প্রস্ততি ম্যাচে ভালো অবস্থানে নেই বাংলাদেশ। ৮ আগস্ট তৃতীয় ও শেষ দিনের ব্যাটিংয়ে নামবে টাইগাররা।
৬ আগস্ট ব্যাটিংয়ের সময় আঙুলে হালকা চোট পাওয়ায় বোলিং করতে পারেননি তাইজুল ইসলাম। চোট অবশ্য গুরুতর নয়, মূলত সতর্কতার কারণেই বোলিং থেকে বিরত রাখা হয় তাকে। ১৩ জনের দলে না থেকেও মুশফিক হাসান বোলিংয়ের সুযোগ পেয়ে যান তাইজুলের বদলি হিসেবে। তবে চার ওভার বোলিং করে রান দিয়েছেন অকাতরে। দিনের শুরুটা অবশ্য খারাপ ছিল না বাংলাদেশের। দ্বিতীয় ওভারেই জশ ফিলিপিকে বোল্ড করেন হাসান। আগের দিনের ২২ রানের সঙ্গে আর কেবল দুই রান যোগ করতে পারেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে চার ওয়ানডে ও ১৭ টি-টোয়েন্টি খেলা ব্যাটসম্যান। পরের উইকেটের জন্য অপেক্ষা করতে হয় অনেকটা সময়। ৭৩ রানের জুটি গড়েন কার্টিস প্যাটারসন ও জ্যাক কেটন। বেশ আগ্রাসী ব্যাট করা কেটনকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন ইবাদত হোসেন। টম রজার্সের চোটে শেষ সময়ে সুযোগ পাওয়া এই ব্যাটসম্যান ৫৮ বলে করেন ৪৮। একটু পর প্যাটারসনকে বোল্ড করে দেন হাসান। দুই টেস্ট খেলে একটিতে সেঞ্চুরি করে ১৪৪ গড়ের এই ব্যাটসম্যান ৩৩ বছর বয়সে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে ফেরার দুয়ারে আছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফর্ম করে। তার ব্যাট থেকে আসে ৫৩ রান। দাপট তখন ছিল বাংলাদেশেরই। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের রান ছিল ৫ উইকেটে ১৩৯। সেখান থেকেই সবচেয়ে বড় জুটি পায় তারা। উয়াইলি ও জেইক ডোরান যোগ করেন ১৫৭ রান। ৩৫ ওভারের বেশি সময় বাংলাদেশকে হতাশ করেন তারা। কিপার-ব্যাটার ডোরানকে ৭৬ রানে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মিরাজ। এই অফ স্পিনার একটু পর জার্সিস ওয়াদিয়াকে বোল্ড করে দেন শূন্যতেই। তবে লোয়ার অর্ডারদের নিয়ে দলকে সাড়ে তিনশ পার করান উয়াইলি। হাসানের সামনে হাতছানি ছিল পাঁচ উইকেটের। সেটি হয়নি। উয়াইলিকে ফিরিয়ে ইনিংস শেষ করেন খালেদ।















