রাঙ্গামাটির কাউখালীতে টানা ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ধসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন, রেড ক্রিসেন্ট এবং ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে মাঠে নেমেছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ইতিমধ্যে সতর্কতামূলক মাইকিং শুরু করা হয়েছে।
আজ সোমবার (৬ জুলাই) উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন—কলমপতি, ঘাগড়া, বেতবুনিয়া ও ফটিকছড়ির বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবীরা স্থানীয়দের সচেতন করার পাশাপাশি আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছেন। পরিস্থিতি সশরীরে তদারকি করতে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাজিব হোসেন ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্ট প্রতিনিধিদের নিয়ে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি পাহাড়ি ঢাল ও পাদদেশে বসবাসরত মানুষদের দ্রুত সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসার আহ্বান জানান।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাজিব হোসেন জানিয়েছেন, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে এবং দুর্গতদের জন্য চার ইউনিয়নে মোট ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া অফিস।
পূর্বকোণ/সিজান/পারভেজ















