চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে জমির উদ্দীন (২৩) নামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষক জমির উদ্দীন দাঁতমারা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের বারমাসিয়া গ্রামের খন্দকার পাড়া এলাকার জসিম উদ্দিনের পুত্র।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের ভূঁইয়া পাড়া ‘বাবে মদিনা মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ না করে চড় থাপ্পড় দিয়ে এলাকা থেকে সরিয়ে দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে নির্যাতনের শিকার ছাত্রটি মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। এরপর ক্ষুব্ধ জনতা মাদ্রাসায় উপস্থিত হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে মাদ্রাসা পরিচালক ও স্থানীয় কয়েকজন মিলে অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করে তাড়িয়ে দেন। এতে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রের বাবা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “ছেলের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য মাদ্রাসায় পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু এই জঘন্য ঘটনায় ছেলেটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বৈঠকের মাধ্যমে ওই শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে বিদায় করা হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি মেম্বার আলী আহমদ মাস্টার জানান, এটি খুবই নেক্কারজনক একটি ঘটনা। আমি শুনেছি, উক্ত ঘটনায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ছেলের পরিবারের সাথে একটি সমঝোতা বৈঠক করে অভিযুক্ত শিক্ষককে তাড়িয়ে দিয়েছেন। এ বিষয়ে ভূজপুর থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার বা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো অভিযোগ করেনি। সামজিক মাধ্যমে বিষয়টি দেখে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলেই দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পূর্বকোণ/আরআর/পারভেজ
















