চট্টগ্রামের আনোয়ারার রায়পুর ইউনিয়নে একই বিছানায় স্বামীর সঙ্গে রাতে ঘুমিয়েছিলেন স্ত্রী। কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানায় স্বামীকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাশের একটি কক্ষে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার মরদেহ।
বুধবার (১ জুলাই) ভোরে উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের খোর্দ গহিরা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পণ্ডিতের বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শাহাবুদ্দিন (৩৫) মৃত শামসুল আলমের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক এবং পেশায় নদীতে চলাচলকারী বিভিন্ন মালবাহী ট্রলারের শ্রমিক ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহাবুদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং মাদকাসক্ত ছিলেন। ঘটনার আগের রাতেও তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক কলহ হয়েছিল বলে জানা গেছে। দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে স্বামী-স্ত্রী একই বিছানায় ঘুমিয়ে পড়েন। ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে স্বামীকে বিছানায় না দেখে খোঁজ করতে থাকেন। পরে পাশের একটি খালি কক্ষে গিয়ে দেখেন, ঘরের আড়ার সঙ্গে নাইলনের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলে আছেন শাহাবুদ্দিন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
এবিষয়ে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
পূর্বকোণ/পিআর
















