চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

সর্বশেষ:

ভেনেজুয়েলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭১৯

ভেনেজুয়েলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৩০ জুন, ২০২৬ | ১২:২৮ অপরাহ্ণ

ভেনেজুয়েলায় গত সপ্তাহে পরপর দুটি ভূমিকম্পের পরও উদ্ধার অভিযান শেষ হয়নি। এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৭১৯ জনে পৌঁছেছে। এদিকে, এখনো হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আন্তত পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

সোমবার রাতে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শহরগুলোর একটি লা গুয়াইরা বন্দরের বাসিন্দারা তাদের স্বজন ও প্রতিবেশীদের খুঁজে বের করতে শাবল, হাতুড়ি ও কোদাল ব্যবহার করছেন। এখনো হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

 

সোমবার ভোরে দেশটিতে একটি পরাঘাত অনুভূত হয়েছে। তবে এতে নতুন করে কোনো ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ এটিকে ভেনেজুয়েলার ইতিহাসের ‘সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ’ বলে অভিহিত করেছেন। বার্তাসংস্থা এএফপির জানিয়েছে, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১৭১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

আন্তর্জাতিক সহায়তা পৌঁছালেও গুরুত্বপূর্ণ সময় পেরিয়ে যাওয়ায় জীবিতদের খুঁজে পাওয়ার আশা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে। সোমবার ভোরে ১০০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার পর ২১ বছর বয়সি এক যুবককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

 

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার উত্তরাঞ্চলের লা গুয়াইরা রাজ্যে মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে প্রায় ৮০০টি ভবন ধসে পড়ে। সর্বশেষ সোমবার কারাকাস ও লা গুয়াইরায় ৪ দশমিক ৬ মাত্রার একটি পরাঘাত অনুভূত হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর রাস্তায় ভেনেজুয়েলার পুলিশ ও সেনাবাহিনীর উপস্থিতি দেখা গেলেও উদ্ধার অভিযানে তাদের তেমন দেখা যায়নি।

 

কারাকাসের পশ্চিমে অবস্থিত পাহাড়ি এলাকা এল জুনকুইতোর বাসিন্দারা রয়টার্সকে বলেছেন, উদ্ধার অভিযানে খুব কম সরকারি কর্মকর্তাকে দেখা গেছে। কৃষক ও অন্যান্য বাসিন্দাদের সরবরাহ করা নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীই দুর্গত মানুষের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

সোমবার দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট বলেন, ২৫ হাজারেরও বেশি জরুরি কর্মী, পুলিশ সদস্য ও সেনাসদস্য ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় কাজ করছেন। এখন প্রতিটি জীবন বাঁচানোই আমাদের জন্য বড় অর্জন।

 

পূর্বকোণ/ইবনুর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট