মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ও হল সংসদের নামে জিমনেসিয়ামের সরঞ্জাম বিতরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গত ২৬ অক্টোবরের পর রাকসু কিংবা হল সংসদের নাম ব্যবহার করে গৃহীত যেকোনো তৎপরতাকে ‘বিধিবহির্ভূত’ ও অননুমোদিত বলে ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। তবে রাকসুর সাবেক নেতাদের দাবি, পূর্বানুমোদিত বাজেট ও যথাযথ নিয়মের মাধ্যমেই এসব কল্যাণমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
বুধবার (৩ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে প্রশাসনের এই অবস্থানের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাকসু ও হল সংসদগুলোর মেয়াদ গত ২৬ অক্টোবর শেষ হয়ে গেছে, তাই ওই তারিখের পর তাদের কোনো কার্যক্রমই বিধিসম্মত নয়। একই সঙ্গে রাকসুর নাম ভাঙিয়ে কোনো ছাত্রসংগঠনের তৎপরতা চালানো থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে প্রশাসনের এমন বিজ্ঞপ্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাকসুর সাবেক নেতৃবৃন্দ। রাকসুর সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার জানান, গত ৩০ সেপ্টেম্বরের অধিবেশনে অনুমোদিত কাজের বাজেট উত্তোলন করতে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় লেগেছিল। সরঞ্জাম অর্ডার করে আনতে কিছুটা সময় লাগায় মেয়াদ শেষের পর তা বিতরণ করতে হয়েছে। এছাড়া উপাচার্যের অনুমোদনক্রমেই ফান্ড থেকে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন সাবেক এজিএস সালমান সাব্বির।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে রাকসুর সাবেক নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি ছেলেদের আবাসিক হল ও মেয়েদের কেন্দ্রীয় জিমনেসিয়ামের জন্য ব্যায়ামের বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং তায়কোয়ান্দো খেলোয়াড়দের জন্য বক্সিং ব্যাগ হস্তান্তর করা হয়।
পূর্বকোণ/এমএইচ


















