জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ঘোষিত প্রথম বাজেটকে ব্যবসাবান্ধব, বিনিয়োগবান্ধব এবং বৈষম্যহীন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস এসোসিয়েশন। সংগঠনটি মনে করে, এই বাজেট অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এক যৌথ বিবৃতিতে এসোসিয়েশনের সভাপতি এস এম সাইফুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক মো. শওকত আলী অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঘোষিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটের ওপর এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
তারা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রত্যয় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঘোষিত এই বাজেটে ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনরুদ্ধার, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, বাজেটে করজাল সম্প্রসারণ, ডি-রেগুলেশনের মাধ্যমে সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ী পরিবেশ সৃষ্টি এবং রুগ্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে পুনরায় উৎপাদনমুখী ধারায় ফিরিয়ে আনার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। এছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং করদাতাদের হয়রানি কমানোর পরিকল্পনাকেও তারা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাজার তদারকি ও সর্বক্ষেত্রে মনিটরিং ব্যবস্থা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংগঠনটি। নেতৃবৃন্দ জানান, বাজেটের সফল বাস্তবায়ন এবং রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সরকার, ব্যবসায়ী সমাজ ও জনগণের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বিত উদ্যোগ একান্ত প্রয়োজন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রস্তাবিত বাজেট একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও বাসযোগ্য দেশ গঠনে সহায়ক হবে। চট্টগ্রাম বন্দর কেন্দ্রিক আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ব্যবসাবান্ধব করতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস এসোসিয়েশন সর্বাত্মক সহযোগিতা ও সক্রিয় ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।


















