আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগরীজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র্যাব। ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত, পশুর হাটে নিরাপদ কেনা-বেচা এবং ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বাড়ানো হয়েছে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি।
বুধবার (২৭ মে) নগরীর সাগরিকা কোরবানির পশুর হাটসহ বিভিন্ন পশুর হাট এবং কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম র্যাবের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. তাওহিদুল ইসলাম। এ সময় তার সঙ্গে র্যাবের ডগ স্কোয়াডও ছিল। তিনি ব্যবসায়ী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
র্যাব জানায়, ঈদকে সামনে রেখে নগরীর অলংকার, একে খান বাসস্ট্যান্ড ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ডাকাতি, ছিনতাই, মলম পার্টি, অজ্ঞান পার্টি ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়মিত চেকপোস্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে পশুর হাটের সার্বিক নিরাপত্তা, যানজট নিয়ন্ত্রণ, জাল টাকা শনাক্তকরণ কার্যক্রম এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন র্যাব কর্মকর্তারা। পাশাপাশি পশুবাহী যানবাহনের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার কথা জানানো হয়।
র্যাব জানায়, পশুর হাটে যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পর্যাপ্তসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষকে সতর্কতার সঙ্গে লেনদেন সম্পন্ন করা এবং সন্দেহজনক কোনো কার্যকলাপ চোখে পড়লে দ্রুত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ঈদ উপলক্ষ্যে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিশেষ চেকপোস্ট পরিচালনার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো ঠেকাতেও বিশেষ টিম কাজ করছে বলে জানিয়েছে র্যাব। তাদের দাবি, জোরদার টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রমের ফলে তাদের দায়িত্বাধীন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
পূর্বকোণ/পিআর












