চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ছদাহা ইউনিয়নে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় মো. ইউনুস (৫৫) নিহত হয়েছেন।
অপরদিকে, চরতী ইউনিয়নের পানি চরতী এলাকায় মো. হাসান (৫০) নামে একব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার হয়।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে উপজেলার চরতী ও ছদাহা ইউনিয়নে পৃথক ঘটনায় মরদেহ দুটি উদ্ধার করে সাতকানিয়া থানা পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, চরতী ইউনিয়নের পানি চরতী এলাকার বিদ্যুৎ খুঁটির পাশ থেকে মো. হাসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মরফলা এলাকার মৃত নুরুল কবিরের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তার পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
স্থানীয়রা আরও জানান, উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের আম্বিয়া বড় বাড়ি এলাকায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় মো. ইউনুস নিহত হন। তিনি ওই এলাকার মৃত ফজল করিমের ছেলে।
স্থানীয়দের দাবি, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন ইউনুসের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে সাতকানিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, চরতী এলাকায় হাসান নামে একব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি প্রতিবন্ধী ছিলেন। তার কাছ থেকে একটি প্রতিবন্ধী পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
অপরদিকে, ছদাহা ইউনিয়নে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পূর্বকোণ/আরআর/এএইচ















