চট্টগ্রামের চন্দনাইশের দক্ষিণ বৈলতলীতে ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে। একই দিনে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইব্রাহিম খলিলের আদালতে ভিকটিমের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (২ জুন) ভিকটিমের মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করার মাত্র ৩ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত ফেরদৌস রহমানকে (৩৭) আটক করা হয়।
জবানবন্দিতে ভিকটিম জানায়, গত ২ মাস ধরে অভিযুক্ত ফেরদৌস তাকে ১০ বারেরও বেশি ধর্ষণ করেছে। গত ১৫ মে রাতে ভিকটিমের নিজ শয়নকক্ষে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। কাউকে এই কথা জানালে পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিয়ে এবং ছুরি দেখিয়ে তাকে ভয় দেখানো হতো বলে জানায় ভিকটিম। উল্লেখ্য, ভিকটিমের বাবা ও বড় বোন দুজনেই মানসিক প্রতিবন্ধী।
ঘটনাটি জানাজানি হয় যখন ভিকটিমের মা বিষয়টি বুঝতে পেরে স্থানীয় মেম্বার এয়ার মোহাম্মদকে জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সোমবার (১ জুন) আসামি ফেরদৌস ভিকটিমের প্রতিবন্ধী পিতা ও তার চাচাতো ভাইসহ কয়েকজনকে মারধর করে। এরপরই ভিকটিম এলাকাবাসীর সামনে পুরো ঘটনাটি প্রকাশ করে দেয়।
চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিদারুল ইসলাম সিকদার জানান, মামলার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে আসামিকে আটক করা হয়েছে এবং মামলাটির তদন্তে উল্লেখ্যযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, মামলার তদন্ত কাজ ইতিমধ্যে ৮০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে এবং গত ৪ জুন পাঁচজন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।
আগামী দুই-একদিনের মধ্যে সহকারী পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন বলে জানা গেছে।
পূর্বকোণ/সিজান

















