বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের তারিখ নিয়ে আলোচনা চলছে। ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ও দিল্লিতে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করে সফরের তারিখ নির্ধারণের চেষ্টা চলছে। আগামী নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে এ সফরের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণের বিষয়ে দুই পক্ষ আলোচনা করছে বলে জানিয়েছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দিল্লিতে ব্রিকস নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনের কয়েক দিন পর এ আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্মেলনে তারেক রহমান অংশ নেননি। তবে বিমসটেকের বর্তমান চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল সম্মেলনের আয়োজক ভারত।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের পর তারেক রহমান দায়িত্ব নেয়ার পর তাকে একক দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল দিল্লি। ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ও দিল্লিতে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করে সফরের তারিখ নির্ধারণের চেষ্টা চলছে।
তবে সফরের ক্ষেত্রে ঢাকার একটি পূর্বশর্ত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান ও তার প্রকাশ্য বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে সফরের জন্য একটি ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির কথা বলছে ঢাকা। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়ে দিল্লির কাছ থেকে স্পষ্ট জবাবও চায় বাংলাদেশ। এ বিষয়ে ভারত এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো জবাব দেয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ভারতীয় পক্ষ শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের অনুরোধটি ‘পর্যালোচনা করা হচ্ছে’ বলে জানালেও একই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থ ও পারস্পরিকতার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে। দুই দেশই তারেক রহমানের সফরের গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে একটি ‘মধ্যপন্থা’ খুঁজছে বলে জানিয়েছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
পূর্বকোণ/পারভেজ

















