রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় মানবিক কার্যক্রম জোরদারে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো যৌথ সফর করেছে সৌদি আরবের কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ) এবং ঢাকাস্থ যুক্তরাজ্য হাইকমিশনের প্রতিনিধিদল।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিনিধিদল কক্সবাজার সফরকালে মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দাতা স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা সহায়তা, পানি, পয়োনিষ্কাশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
সফরকালে প্রতিনিধিদল মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে সরাসরি অভিজ্ঞতা শোনেন। তারা জানান, এসব কর্মসূচি রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং চলমান সংকট মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করছে।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্য-সৌদি আরব কৌশলগত সহায়তা সংলাপের ঘোষণা অনুযায়ী, কেএসরিলিফ ও যুক্তরাজ্য সরকার যৌথভাবে ৭ দশমিক ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দিচ্ছে। এ অর্থের মাধ্যমে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি), আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং বাংলাদেশের ইন্টিগ্রেটেড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট এফোর্টের (আইএসডিই) মতো অংশীদার সংস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই যৌথ সফর সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্যের ক্রমবর্ধমান মানবিক অংশীদারিত্বের প্রতিফলন। এর আগে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে লন্ডনে কেএসরিলিফ ও যুক্তরাজ্য সরকারের মধ্যে একটি যৌথ বিবৃতি স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে বাংলাদেশ ও ইয়েমেনে মানবিক কার্যক্রমে সহযোগিতার অঙ্গীকার করা হয়।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী, আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠী এবং বিশ্বের অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের জন্য জীবন রক্ষাকারী সহায়তা দিতে কেএসরিলিফের সঙ্গে অংশীদার হতে পেরে যুক্তরাজ্য গর্বিত। এই সফর আমাদের গভীরতর মানবিক অংশীদারত্ব ও প্রয়োজনীয় মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকারকে তুলে ধরেছে।
পূর্বকোণ/কায়ছার
















