কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় হঠাৎ কালবৈশাখী ও বজ্রপাতে অনেক বসতঘর লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে উপকূলীয় অঞ্চলের উজানটিয়া, মগনামা এলাকার লবণ মাঠেও।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের মালেকপাড়া এলাকায় কালবৈশাখীর এ তাণ্ডব চলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালের দিকে হঠাৎ আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর শুরু হয় তীব্র ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ ভারী বৃষ্টি। ঝড় ও বাতাসের তীব্রতায় কয়েকটি বসতঘরের টিনের চাল উড়ে যায় এবং ঘরের বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ে। এতে বেশ কয়েকটি পরিবারের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
উজানটিয়া ইউনিয়নের মালেক পাড়া এলাকার আব্দু শুক্কর, হাসান, আজমগীর বাদশা, রহমত আলীর বসতবাড়িসহ আরও বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে কয়েকজন জানান, ঝড় শুরু হওয়ার পরপরই ঘরের চাল কাঁপতে থাকে। একপর্যায়ে প্রবল বাতাসে পুরো চাল উড়ে গিয়ে ঘরের আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক মিনিটের ঝড়েই পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ঝড়ের সময় অনেক গাছপালা উপড়ে পড়ে এবং কয়েকটি এলাকায় চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে। এছাড়া মাঠে থাকা লবণ মাঠসহ লবণের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য এমজারুল হক বলেন, হঠাৎ হওয়া ঝড় ও বজ্রবৃষ্টিতে কয়েকটি পরিবার ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। অনেকের ঘরের চাল উড়ে গেছে এবং ঘরের ভেতরের মালামাল নষ্ট হয়েছে। তখন বজ্রপাতে এক নারীর মৃত্যু হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো খুবই জরুরি।
পেকুয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাউসার আহমেদ বলেন, ‘ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পূর্বকোণ/পিআর
















