খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে কালবৈশাখীর ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। উপজেলার বাটনাতলী ইউনিয়নের ঘোরখানা এলাকায় প্রতিষ্ঠিত ‘শাহানশাহ হক ভান্ডারী সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার টিনসেট ভবন, তিনটহরী ইউনিয়নের বড়বিল এলাকার বাসিন্দা মো. সোলেমান মিয়ার বসতঘর ও কালাপানি এলাকার বাসিন্দা আবু তালেবের বসতঘরসহ বেশকিছু ঘরবাড়ি লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। ঝড়ের ফলে হাটহাজারী লাইনে বিদ্যুতের খুঁটি ও তারে ত্রুটি দেখা দিলে সকাল থেকেই উপজেলায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
গতকাল রবিবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে আকাশে হঠাৎ করে কালো মেঘ জমে প্রবল দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এসময় ঝড়ের তাণ্ডবে শাহানশাহ হক ভান্ডারী সুন্নিয়া দাখিল মাদরাসার বারান্দাসহ অনন্ত ৫টি পরিবারের ঘরবাড়ির টিন দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং কোনো বাড়ির টিন উড়ে গিয়ে পাশের জমিতে পড়ে। এছাড়া আশপাশের এলাকায় আংশিক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত সোলায়মান মিয়া জানান, আমার মাটির ঘরের চাল ভেঙে উঠানে পড়ে। ঠিক করার আগ পর্যন্ত খোলা আকাশের নীচে বসবাস করতে হবে’।
আবু তালেব বলেন, ‘ঋণ করে ঘর নির্মাণ করেছিলাম। গতকাল সন্ধ্যার ঝড়ে ঘরের টিন দুমড়ে মুচড়ে উড়িয়ে নিয়ে যায়। এখন সংস্কার করার মতো পয়সাও নেই হাতে।’
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাসুদ উজ জামান বলেন, ‘আকস্মিক ঝড়ে বেশ কয়েকটি পরিবার ও প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা করা হবে।’
পূর্বকোণ/পিআর





















