চলতি বছরের বিশ্বকাপ ঘিরে ট্রাম্প ও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সম্পর্ক আগে থেকেই আলোচনায় ছিল। গত ডিসেম্বরে ওয়াশিংটনে বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে ‘ফিফা শান্তি পুরস্কার’ দেওয়া হয়।
তার আগে জুলাইয়ে ম্যানহাটনের ট্রাম্প টাওয়ারে কার্যালয় খোলে ফিফা। এবার টুর্নামেন্ট চলাকালেও ট্রাম্প ও ফিফা সভাপতির ঘনিষ্ঠতা নিয়ে সমালোচনা হয়েছে।
এর মধ্যে ফিফার সঙ্গে ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন কংগ্রেস।
বৃটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফিফা সভাপতিকে চিঠি পাঠিয়ে ফিফার কাছে ট্রাম্প ও তার ঘনিষ্ঠজনদের উপহার, অর্থ কিংবা অন্য কোনও সুযোগ-সুবিধা প্রদান সংক্রান্ত সব যোগাযোগ ও নথির ব্যাপারে জানতে চেয়েছেন প্রতিনিধি পরিষদের জুডিশিয়ারি কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য জেমি রাসকিন।
কমিটি ইনফান্তিনোকে একটি ট্রান্সক্রাইবড সাক্ষাৎকারে বসারও অনুরোধ জানিয়েছে। নথিপত্র জমা ও সাক্ষাৎকারের জন্য আগামী ৯ আগস্ট পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে।
ফিফার সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের সম্পর্ক এবারের বিশ্বকাপেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। ২০৩১ সালের নারী বিশ্বকাপের প্রধান আয়োজক হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি আসরের সাফল্যের পর ২০৩৮ সালের পুরুষ বিশ্বকাপ আয়োজনের দৌড়েও যুক্তরাষ্ট্রের নাম জোরালোভাবে আলোচনায় উঠে এসেছে।
পূর্বকোণ/এএইচ















