মাইলস্টোন দুর্ঘটনার এক বছর পরও ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার ক্ষতিপূরণ পায়নি- এমন অভিযোগের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ক্ষতিপূরণ ঘোষিত হয়ে থাকলে তা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে পৌঁছানো সরকারের দায়িত্ব।
তিনি বলেন, ‘ঘোষিত ক্ষতিপূরণ যদি বিতরণ না হয়ে থাকে, তাহলে তা যেন দ্রুত পরিবারগুলোর কাছে পৌঁছে— সে বিষয়ে সরকার অবশ্যই কাজ করবে।’
সরকারের পাঁচ মাসের কর্মকাণ্ড, প্রশাসনিক সংস্কার, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, গুমের অভিযোগ, মাইলস্টোন দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ, মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য পরিবর্তন এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের পুনর্গঠন নিয়ে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন ও সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তদন্তের ভিত্তিতে তৈরি সুপারিশগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পর্যালোচনা করবে। ’
‘একটি বর্ষপূর্তিতে এসে যদি আমাদের শুনতে হয় যে পরিবারগুলো এখনও ক্ষতিপূরণ পায়নি, তাহলে সেটি দুর্ভাগ্যজনক। আমাদের দায়িত্ব নেওয়ারও প্রায় পাঁচ মাস হয়ে গেছে। এটিকে আমাদেরও কিছুটা ব্যর্থতা হিসেবে স্বীকার করতে হবে। আমরা সেই ব্যর্থতা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করবো।’
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দাবি করলেও সরকার ২০ লাখ টাকা প্রস্তাব করেছে— এই বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অর্থ দিয়ে প্রাণহানির প্রকৃত ক্ষতিপূরণ সম্ভব নয়। তবে রাষ্ট্রকে তার সামর্থ্যের মধ্যে সর্বোচ্চভাবে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবে। ’
‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হলে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি তুলবো। প্রয়োজন হলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরকারের প্রতিনিধি বসতে পারেন। তাদের সব দাবি শুনে বিবেচনা করা উচিত।’
নিহত শিশুদের শহীদ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। দুর্ঘটনায় মৃত্যুর অন্যান্য ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দাবিটি যাচাই করতে হবে।’
পূর্বকোণ/এএইচ
















