চলতি বছরের নভেম্বর মাসে শেষ হচ্ছে উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা স্মার্টকার্ড প্রকল্প। সোমবার (৮ জুন) ইসি সচিব আখতার আহমেদ নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান।
তিনি বলেন, স্মার্টকার্ড বা আইডিইএ প্রকল্প নভেম্বর পর্যন্ত আছে। এরপর কী হবে তা পরে ভাবা হবে। স্মার্টকার্ডের চিপ ব্যবহার হচ্ছে না, অথচ ৮০০ কোটি টাকার মতো ব্যয় হলো- এমন বিষয় উত্থাপন করা হলে আখতার আহমেদ, চিপসের হাতে ডেটা আছে, কিন্তু চিপস রিডারটা নেই। এখন আমি তো আপনাকে অস্বীকার করতে পারতেছি না। যেটা হয়েছে সেটা হয়েছে, এখন যদি বলেন চিপসের ভেতরে কী আছে, রিডার নেই এই সত্যি কথাটা তো আমি স্বীকার করছি। আমার কাছে তো অস্বীকার করার কিছু নেই।
তিনি আরও বলেন, চিপসে বেসিক কিছু ডাটা আছে যেটা সবার জন্য- নিজের নাম, ছবি, বাবার নাম, মায়ের নাম, জন্ম তারিখ, জন্মস্থান, রক্ত, ধর্ম এগুলো বেসিক। এগুলো তো চেঞ্জ হয় না। আনলেস আদারওয়াইজ চেঞ্জ হয় না। তো সেটা সবাই যদি ওই ডাটাটা ব্যবহার করে… শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী ডাটা ব্যবহার করবে। আমরা আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী ডাটা ব্যবহার করব।
আইডিইএ প্রকল্পটি ২০১১ সালে নেওয়া হয়েছিল বিশ্বব্যাংকের সহায়তায়। এরপর তারা চলে গেলে রাজস্ব খাত থেকে আইডিইএ-২ প্রকল্পটি নেওয়া হয় ২০২০ সালে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে এখনো ৯ কোটি নাগরিকের হাতে কার্ড পৌঁছে দিতে পারেনি ইসি। একইসঙ্গে প্রায় ২০ ধরনের সেবা স্মার্টকার্ডের মাধ্যমে দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার কথা বলা হলেও সরকারের অন্য কোনো দপ্তর আগ্রহ দেখায়নি। কমিশনও কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
পূর্বকোণ/রাকিব/পারভেজ


















