ঢাকার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ সাহিল ফারাবি আয়ান (১৪) নামে আরও এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার (২৭ জুলাই) দিনগত রাত পৌনে ২টায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শ্বাসনালীসহ শরীরের ৪০ শতাংশ পোড়া নিয়ে আয়ান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল বলে জানিয়েছেন এই চিকিৎসক। এ নিয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৮ জনে, আর সবমিলিয়ে এ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল ৩৪ জনের।
ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে ১৫টি ‘বডিব্যাগে’ থেকে চূড়ান্তভাবে ১৪ জনের মরদেহ শনাক্ত হওয়ায় এবং লুবানা হাসপাতালের অজ্ঞাত মৃত ব্যক্তি ও ইউনাইটেড হাসপাতালের মৃত ব্যক্তি একই বলে চিহ্নিত হওয়ায় রবিবার মোট মৃত্যুর সংখ্যা সংশোধন করে ৩৩ জনে নামিয়ে এনেছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মাইলস্টোনের ইংরেজি ভার্সনের সপ্তম শ্রেণির আয়ান মোহাম্মদ আলী মাহমুদ ও তামান্না দম্পতির সন্তান। তাদের বাসা মিরপুরের মধ্য মনিপুর এলাকায়।
গত ৩১ জুলাই দুপুরে বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনের মুখে বিধ্বস্ত হয়। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই সামরিক বিমান দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত যে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের বেশির ভাগই শিশু।
দগ্ধ ও আহত ৩৪ জন এখনো জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে, ১১ জন সিএমএইচে ও ১ জন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পূর্বকোণ/পিআর
















