প্রথম ইনিংসে মান বেঁচেছিল সাতে নামা মেহেদী হাসান মিরাজের সেঞ্চুরির কল্যানে। স্কোরবোর্ডে উঠেছিল ২৬৩ রান। জবাবে স্বাগতিক ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ করে ৩৫৫ রান। টাইগাররা পিছিয়ে ছিল ৯২ রানে। এই ৯২ রানই করতে পারেনি অভিজ্ঞতার মিশেলে গড়া বাংলাদেশ দল।
তিনদিনের প্রস্তুতি ম্যাচের শেষ দিনে ৮ আগস্ট শনিবার নাজমুল হোসেন শান্তর দল গুটিয়ে গেছে মাত্র ৫৪ রানে। সুবাদে হার ইনিংস ও ৩৮ রানের।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক হয়ে ওঠেন ক্যাম্পবেল থম্পসন। মাত্র ১১ ওভার বল করে ২৫ রান দিয়ে ৮ উইকেট নিয়েছেন তিনি। তার বোলিং ফিগার ছিল ১১-২-২৫-৮। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই সাদমান ইসলামকে ৬ রানে ফিরিয়ে দেন থম্পসন। এরপর মুমিনুল হক ৬ রান করে তার শিকার হন। নাজমুল হোসেন শান্ত কোনো রান না করেই এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন। এরপর সৌম্য সরকার ৫ ও মুশফিকুর রহিম ২ রানে আউট হন। দুজনকেই ফিরিয়েছেন থম্পসন। ততক্ষণে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে রান উঠে মাত্র ৩৬, নেই ৪ উইকেট।
এরপর তানজিদ হাসান তামিম ২২ রান করে কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। তার ৪১ বলের ইনিংসে ছিল দুটি চার ও একটি ছক্কা। কিন্তু ১৫.৫ ওভারে ৪৫ রানে থম্পসনের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তানজিদ। এর পরের বলেই অমিত হাসান ৪ রান করে কোরি রকিচোলির বলে ক্যাচ দেন। ৪৫ রানে ছয় উইকেট হারানো বাংলাদেশের শেষ প্রতিরোধটুকুও ভেঙে যায় দ্রুত। শান্তর পর মিরাজও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৯ বল খেলে মাত্র ৬ রান করে রকিচোলির বলে ডোরানের হাতে ক্যাচ দেন মিরাজ।
শেষ দিকে হাসান মাহমুদ ২ রানে অপরাজিত থাকলেও তাকে সঙ্গ দেওয়ার মতো কেউ ছিলেন না। থম্পসনই শেষ দুটি উইকেট তুলে নেন। ফলে ২১.৬ ওভারে ৫৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া একাদশের হয়ে থম্পসনের ৮ উইকেটের সঙ্গে রকিচোলি নেন দুটি উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারই ২৫ রানও করতে পারেননি। তানজিদের ২২ রানই ছিল সর্বোচ্চ।
পূর্বকোণ/কিরণ/পারভেজ















