রাজধানী কিয়েভ, খারকিভসহ ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার বড় ধরনের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। এতে দেশটির ঐতিহাসিক প্রাচীন এক গীর্জায় আগুন লেগে যায়।
রবিবার (১৪ জুন) রাতের হামলায় কিয়েভ এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী রাতভর রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্রিয় থাকলে ভূপাতিত ড্রোনের জ্বলন্ত ধ্বংসাবশেষ কিয়েভের বেশ কয়েকটি বহুতল আবাসিক ভবন, বাড়িঘর ও গাড়ির ওপর পড়ে। এতে চারজন নিহত এবং ৩০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার বাসিন্দা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছেন।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে রাশিয়ার আরেকটি হামলায় ৫ জন নিহত এবং অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বড় আঘাত লেগেছে ইউক্রেনের আধ্যাত্মিকতার প্রতীক ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ‘কিয়েভ পেচেরস্ক লাভরা’ গীর্জায়। সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় সেখানে আগুন ধরে যায়।
মস্কোর হামলার জবাবে ইউক্রেনও রাশিয়ার ভেতরে এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় হামলা চালায়। রাশিয়ার দাবি, মস্কোর দক্ষিণে তুলা অঞ্চলে ইউক্রেনীয় হামলায় ৩ জন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন।
এছাড়া রাশিয়া থেকে ক্রিমিয়া উপদ্বীপে যাওয়ার প্রধান প্রধান রুশ সরবরাহ রুটেও নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। সূত্র: রয়টার্স
পূর্বকোণ/আদর


















