রক্ষণভাগ যদি দেয়াল হয় তবে ইরানের গোলরক্ষক আলীরেজা বেইরানভান্দ বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে গোলবারের নীচে দাঁড়িয়েছিলেন সেই দেয়ালের ভিত্তি হিসাবে। তিনি একাই সেভ করেছেন ৭টি শট। বেলিজিয়ামের টানা আক্রমণ প্রতিহত হচ্ছিল ইরানের রক্ষণভাগে। আবার সেই রক্ষণ ইতালির সিরি এ কাব নাপোলির সতীর্থ রোামেলো লুকাকু ও ডি ব্রুইনারা টপকাতে পারলেও হারাতে ব্যর্থ হন গোলরক্ষক আলীরেজা বেইরানভান্দকে। সুবাদে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি গোলশুন্য ড্র হয়। ২১ জুন দিবাগত রাত ১টায় শুরু হওয়া ম্যাচটির ড্র’র ফলাফলে জি গ্রুপে সকাল ৭টার পূর্ব পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ৩টি ম্যাচই ড্র হলো। বর্তমানে ইরান ও বেলজিয়ামের পয়েন্ট ২ করে অন্যদিকে এক ম্যচ করে খেলা নিউজিল্যান্ড ও মিশরের পয়েন্ট ১। ২২ জুন সোমবার সকাল ৭টায় গ্রুপের দু’দল নিউজিল্যান্ড ও মিশর একে অপরের মুখোমুখি হবে।
বেলজিয়ান ভক্তদের নজর ছিল লুকাকুর দিকে। কিন্তু পুরো ম্যাচেই তিনি ছিলেন ছায়া হয়ে। নিষ্প্রভ লুকাকুকে দ্বিতীয়ার্ধে তুলে নিলেও আক্রমনের ধার এতটুকু কম ছিল না বেলজিয়ামের। কিন্তু প্রতিবারই তারা বাধা পেয়েছে ইরানের রক্ষণে। এমনকি ম্যাচে ৬৬ মিনিটে ডিফেন্ডার নাথান এনগয় লাল কার্ড দেখে বেলজিয়াম ১০ জনের দলে পরিনত হলেও একের পর এক আক্রমন শানিয়েছে তারা। শুধু গোলটাই পাওয়া হয়নি ইরানের গোলরক্ষকের অতিমানবীয় নৈপুন্যে। পুরো ম্যাচে ইরানের গোলপোস্ট লক্ষ্য করে ২২টি শট নিয়েছে বেলজিয়াম। এরমধ্যে লক্ষ্যে ছিল ৭টি। অন্যদিকে ইরানের নেওয়া ৭ শটের লক্ষ্যে ছিল ৩টি। বল পজিশনেও বেলজিয়ানরা এগিয়ে, ৫৬।
ম্যাচ সেরা অবশ্যই ইরানের পুরো রক্ষণভাগ, তাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন গোলরক্ষক বেইরানভান্দ। চলতি আসরে দুটিসহ বিশ্বকাপে নিজেদের সর্বষ চার ম্যাচে জিততে ব্যর্থ হলো বেলজিয়াম (৩ ড্র, ১ হার)। মিশরের বিপক্ষে ড্রয়ে এবারের অভিযান শুরু করে তারা। ইরানও এবার তাদের প্রথম দুই ম্যাচ ড্র করল। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে দু’বার পিছিয়ে পড়ে ২-২ সমতায় শেষ করেছিল তারা। তবে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ১ পয়েন্ট ছিনিয়ে নেওয়া ইরানের বিশেষ সাফল্য বটেই।
















