মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর গায়েবানা জানাজাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে।
সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে ৪ টার দিকে নগরীর আলমাস সিনেমা হলের সামনে থেকে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে কাজীর দেউড়ি মোড়, ওয়াসার মোড়, জিইসি মোড় ও লালখান বাজারসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে তা ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে সোমবার (১৪ আগস্ট) রাত ৮টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএসএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী মারা যান। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে চট্টগ্রাম জেলা ও নগর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
নগর পুলিশের উপ কমিশনার (দক্ষিণ) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কোনোরকম পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা এখানে জড়ো হতে থাকে। পরে তারা পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সেটা প্রতিরোধ করেছি। পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক। জামায়াত শিবিরের কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ৪টার দিকে ওয়াসার মোড়ে বিপুল সংখ্যক জামায়াত শিবির কর্মী জড়ো হয়। তারা আলমাস সিনেমা হলের দিকে স্লোগান দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া করে, সাউন্ড গ্রেনেড ছোঁড়ে। এসময় শিবিরের মিছিল থেকে ‘৭৫’র হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার’ এমন স্লোগানসহ সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়। পুলিশের ধাওয়ায় জড়ো হওয়া নেতাকর্মীরা কাজীর দেউড়ি, চট্টেশ্বরী মোড়সহ বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায়। এসময় পুলিশ অন্তত ১০ জনকে আটক করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।
পূর্বকোণ/পিআর/এএইচ


















