কক্সবাজারের মহেশখালীতে মধ্যরাতে বসতবাড়িতে ঢুকে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে এক যুবক। ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় ওই নারী ও তার স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের আধাঁরঘোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক মোহাম্মদ হায়াতকে (২৩) হাতেনাতে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। আটক যুবক একই এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে। স্থানীয়ভাবে সে ‘হাইত্তা চোরা’ নামে পরিচিত।
কালারমারছড়া পুলিশ ক্যাম্পের আইসি (এসআই) রাজু দুপুরে দিকে ঘটনার সত্যটা নিশ্চিত করেছেন
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গভীর রাতে আধাঁরঘোনা গ্রামে কামরুল হাসানের ঘরে কৌশলে প্রবেশ করে হায়াত। ঘরে কামরুল হাসানের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে একা পেয়ে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টা চালায় হায়াত। এ সময় ওই নারী ও তার স্বামী বাধা দিলে হায়াত ধারালো অস্ত্র ও ছুরি দিয়ে ওই দম্পতিকে কোপাতে শুরু করে। এতে কামরুল হাসান ও তার স্ত্রী রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন। তাদের আর্তচিৎকারে প্রতিবেশিরা দ্রুত এগিয়ে আসলে হায়াত পালানোর চেষ্টা করে। তবে গ্রামবাসী চারদিক থেকে ঘিরে ধাওয়া দিয়ে তাকে আটক করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় দম্পতিকে উদ্ধার করে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে আহতদের অবস্থা সংকটাপন্ন।
মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সোলতান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ খবর পেয়ে অভিযুক্ত হায়াতকে আটকে করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পূর্বকোণ/পিআর
















