আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মৌমাছিকে একটি বিশেষ জ্ঞান-বুদ্ধি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন যা অত্যন্ত সূক্ষ্ম। পবিত্র কুরআনুল কারিমে এ ক্ষুদ্র প্রাণীকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এ জন্য আল্লাহ সুবহানু ওয়া তা’আলা মৌমাছির নামে একটি সূরা নাজিল করেছেন। নাম সূরাতুন নাহল। আরবি নাহল শব্দের বাংলা অর্থ মৌমাছি। এটিরপবিত্র কুরআনের ১৬তম সূরা। সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এর আয়াত সংখ্যা ১২৮টি। এই সূরার ৬৮ আয়াতের থেকে এর নামকরণ করা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, এর একটা আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। এই সূরাটির মধ্যে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ৬৮ নম্বর আয়াতে স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, ‘আপনার পালনকর্তা মধু মক্ষিকাকে আদেশ দিলেন : পর্বতগাহে, বৃক্ষ এবং উঁচু চালে গৃহ তৈরি কর’। তিনি পরের আয়াত অর্থাৎ ৬৯ নম্বর আয়াতে বলেছেন, ‘এরপর সব প্রকার ফল থেকে ভক্ষণ কর এবং আপন পালনকর্তার উম্মুক্ত পথ সমূহে চলমান হও। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে’।
অর্থাৎ মৌমাছিরা আল্লাহর আদেশ মেনে নিজেদের পছন্দমতো ফুলের কাছে যায়। সেখান থেকে ফুলের নির্যাস চুষে নিয়ে আসে। কিন্তু ফুলের কোনো ক্ষতি করে না। যা মৌমাছির পেটে যাওয়ার পর মধু হয়ে যায়। ফুলের নির্যাস এমনভাবে চুষে নিয়ে আসে যে, আধুনিক যুগের কোনো মেশিনের পক্ষে এটা সম্ভব নয়। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ক্ষুদ্র প্রাণীটির মধ্যে সেই শক্তি দিয়েছেন। এটা খুবই আশ্চর্য যে, বিষাক্ত একটি পোকার মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তা আমাদের শরীরের জন্য অতি প্রয়োজনীয় মধুর ব্যবস্থা করেছেন। মৌমাছি হলো একমাত্র পোকা যার উৎপাদিত পদার্থ মানুষ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।
মধু হচ্ছে সুস্বাদু গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যনির্যাস। এটি একমাত্র খাবার যাতে জীবনধারণের প্রয়োজনীয় সকল উপাদান আছে। এতে আছে এনজাইম, ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং পানি। মহান রাব্বুল আলামিন দুনিয়াবাসীদের জন্য জান্নাতের যেসব খাবার পাঠিয়েছেন তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মধু। এতে রয়েছে অসংখ্য রোগের শেফা। কুরআনুল কারিমে সুরা মোহাম্মাদের ১৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু তা’আলা জান্নাতের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন, ‘এর তলদেশে প্রবাহিত হবে মধুর প্রবাহ’।
পবিত্র কুরআনে আরও দুটি পতঙ্গের নামে দুটি সুরা আছে। সেগুলো হলো ২৭তম সুরা আন নামল (পিঁপড়া) ও ২৯তম সুরা আল আনকাবুত (মাকড়াসা)। বিশ্বে মৌমাছির প্রায় আড়াইশ প্রজাতি রয়েছে। কিন্তু এরমধ্যে মাত্র ১০ শতাংশ প্রজাতির মৌমাছি মধু সংগ্রহ আর পরাগায়নের কাজ করে। মৌমাছি আমাদের জন্য উৎকৃষ্ট মধু আহরণ করে। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.) মধু খেতে খুব ভালোবাসতেন। (শামায়েলে তিরমিজি, হাদিস: ১২১)। এটি ওষুধ এবং খাদ্য উভয়ই। মধুকে বলা হয়- বিররে এলাহি ও তিব্বে নব্বী। অর্থাৎ খোদায়ী চিকিৎসা ও নবী করিম (সা.) এর বিধানের অন্তর্ভুক্ত।
মধু সাধারণত তরল আকারে থাকে বলে একে পানীয় বলা হয়। মধু যেমন বলকারক খাদ্য এবং রসনার জন্য আনন্দ ও তৃপ্তিদায়ক, তেমনি রোগ ব্যাধির জন্যও ফলদায়ক ব্যবস্থাপত্র। কেন হবে না, স্রষ্টার ভ্রাম্যমাণ মেশিন সর্বপ্রকার ফল-ফুল থেকে বলকারক রস ও পবিত্র নির্যাস বের করে সুরক্ষিত গৃহে সঞ্চিত রাখে। মধুর আরো একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য এই যে, নিজেও নষ্ট হয় না এবং অন্যান্য বস্তুকে দীর্ঘকাল পর্যন্ত নষ্ট হতে দেয় না। এ কারণেই হাজারো বছর ধরে চিকিৎসকরা একে অ্যালকোহল এর স্থলে ব্যবহার করে আসছেন। মধু বিরেচক এবং পেট থেকে দূষিত পদার্থ অপসারক।
রাসূলুল্লাহ (সা.) এর কাছে কোনো এক সাহাবি তার ভাইয়ের পেটের অসুখের বিবরণ দিলে তিনি তাকে মধু পান করানোর পরামর্শ দেন। দ্বিতীয় দিনও এসে আবার সাহাবি বললেন- পায়খানা বহাল রয়েছে। তিনি আবারো একই পরামর্শ দিলেন। তৃতীয় দিনও যখন সংবাদ এল যে, অসুখের কোনো পার্থক্য হয়নি, তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘আল্লাহর উক্তি নিঃসন্দেহে সত্য, তোমার ভাইয়ের পেট মিথ্যাবাদী। উদ্দেশ্য এই যে, ওষুধের কোনো দোষ নেই। রোগীর বিশেষ মেজাজের কারণে ওষুধ দ্রুত কাজ করেনি।’ এরপর রোগীকে আবার মধু পান করানো হয় এবং সে সুস্থ হয়ে উঠে।। (বুখারি : ৫/২৯১, মুসলিম, তিরমিজি : ৬০৭/ ২০২৩)।
বিশ্ব নবী রাসূলুল্লাহ সা. সাহাবিদের বিভিন্ন বিষয়ে উপমা দিয়ে বুঝিয়েছেন। পরকালের ভয়ঙ্কর শাস্তির দৃশ্যকে তিনি উপমার মাধ্যমে চিত্রায়িত করেছেন। এমন কিছু বিষয়ে তিনি উপমা দিয়েছেন, যেগুলো নিয়ে বর্ণনা করলে ঈমান অনেক ক্ষেত্রে বৃদ্ধি হয়। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলে করিম (সা.) বলেছেন, ‘ওই সত্তার শপথ, যার পবিত্র হাতে মোহাম্মাদ (সা.) এর জীবন। নিশ্চয়ই ঈমানদাররা হলো মৌমাছির মতো। যারা উত্তম জিনিস খায়, উত্তম জিনিস তার পেট থেকে বের হয়। তারা ফুলের ওপর বসে, কিন্তু তা নষ্ট করে না কিংবা ভেঙে ফেলে না’। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস নম্বর ৬৮৭২)।
মৌমাছি সম্পর্কে বিস্ময়কর তথ্য
মৌমাছি সামাজিক, কর্মঠ ও উপকারী পতঙ্গ হিসেবে পরিচিত। প্রায় ৩ কোটি বছর ধরে পৃথিবীতে মৌমাছি টিকে আছে। প্রতিটি মৌমাছির চাকে গড়ে ৫০ হাজার মৌমাছি থাকে। মৌমাছি গড়ে এক থেকে দেড় মাস বাঁচে। এই সময়ের মধ্যে প্রতিটি মৌমাছি প্রায় ১/১২ চা চামচ মধু সংগ্রহ করে। যা প্রায় ০.৮ গ্রামের সমান। রানী মৌমাছি বাঁচে গড়ে পাঁচ বছর। গ্রীষ্মকালে রানী মৌমাছি সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকে। এ সময় প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৫০০টি ডিম পাড়ে রানি মৌমাছি।
একটি রাণী মৌমাছিকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে মৌচাক। রাণীই সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। যদি কোনো ডিম থেকে স্ত্রী মৌমাছির জন্ম হয়, তাহলে সেটি কর্মী মৌমাছিরা লুকিয়ে রাখে। কারণ, রাণী মৌমাছির নজরে পড়লে ওই শিশু স্ত্রী মৌমাছির মৃত্যু নিশ্চিত। জানলে অবাক হবেন, একটি রাণী মৌমাছি প্রতিদিন পর্যায়ক্রমে ১৮-২০টি পুরুষ মৌমাছির সঙ্গে মিলিত হতে পারে। একে ‘দ্য মিটিং ফ্লাইট’ বলে। যৌন মিলনের পরেই পুরুষ মৌমাছি মারা যায়। এই কারণেই মৌমাছির মিলনকে ‘দ্য ড্রামাটিক সেক্সুয়াল সুইসাইড’ বলা হয়। রানি মৌমাছির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হল এটি কখনও হুল ফোটায় না। তবে বিবিসি সায়েন্স ফোকাস বলছে, অপরিণত রানি মৌমাছি অন্যান্য অপরিণত রানিদের খুঁজে বের করে তাদের হুল ফুটিয়ে মেরে ফেলে যেন তার একক শাসন বজায় থাকে।
মৌমাছি সম্পর্কে সবচেয়ে অবাক করা কথা বলেছেন বিখ্যাত মৌমাছিতত্ত্ববিদ প্রোকোপোভিচ। তাঁর কথায়, ‘যখন কোনো রানি মৌমাছি তাদের চাকের রীতিনীতি ভঙ্গ করে বা অন্য কোনো চাকের মৌমাছির সঙ্গে মিলিত হওয়ার চেষ্টা করে, তখন পুরুষ মৌমাছিরা তাকে হুল ফুটিয়ে, পাখনা ছিঁড়ে, দম বন্ধ করে মেরে ফেলে।
মৌমাছির চাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে স্ত্রী মৌমাছি। আর পুরুষ মৌমাছি বংশবিস্তার করা ছাড়া কোন কাজই করে না। এমনকি নিজেদের খাবারের জন্য তারা স্ত্রীদের ওপর নির্ভর করে। কেননা পুরুষ মৌমাছির হুল বা মধু আহরণের অঙ্গ নেই। তাদের কাজ কেবল বংশবিস্তার করা এবং কয়েকবার মিলনের পর তারা বাঁচতেও পারে না। গুরুত্ব কম হওয়ার কারণে শীতকালে খাদ্য সংকটের সময় স্ত্রী মৌমাছিরা পুরুষ মৌমাছিকে মৌচাক থেকে বের করে দেয়।
অস্ট্রিয়ান বিজ্ঞানী কার্ল ভন ফ্রিচের করা গবেষণা অনুযায়ী, একধরনের নাচের মাধ্যমে মৌমাছিরা কোথায় সেরা ফুল খুঁজে পাওয়া যাবে বা কোথায় পান করার পানি মিলবে ইত্যাদি তথ্য তাদের সহযোগীদের কাছে পৌঁছে দেয়। একে মৌমাছির নৃত্য বা (Waggle Dance) বলে।
১ কেজি মধু জমাতে কর্মী মৌমাছিদের প্রায় ৪০,০০,০০০ ফুলের পরাগরেণু সংগ্রহ করতে হয়। অর্থাৎ, ৫০০ গ্রাম মধুর জন্য ২০ লক্ষ ফুলের পরাগরেণুর প্রয়োজন হয়। সবকিছু অনুকূলে থাকলে একটি পুরো মরসুমে প্রায় ৫৫ কেজি মধু জমা করে কর্মী বা শ্রমিক মৌমাছিরা। একটি শ্রমিক বা কর্মী মৌমাছি তার সারা জীবনে মাত্র অর্ধেক চা চামচ মধু তৈরি করতে পারে। ১ কেজি মধু সংগ্রহের জন্য কতটা পরিশ্রম করতে হয় মৌমাছিদের, জানেন?পতঙ্গবিজ্ঞানীদের করা গবেষণা অনুযায়ী, ১ কেজি মধু সংগ্রহ করতে ১১০০ মৌমাছির প্রায় ৯০,০০০ মাইল পথ ঘুরতে হয়, যা চাদের কক্ষপথের দৈর্ঘ্যের প্রায় তিনগুণ!
মৌমাছির প্রায় ১৭০টি গন্ধ নেওয়ার রিসেপ্টর আছে। গন্ধ শুকে তারা বাসায় ফিরতে পারে। খাবারের সন্ধানে গিয়ে ফুল চিনতেও সাহায্যে করে এই রিসেপ্টর।
মৌমাছিরা ঘন্টায় প্রায় ৩৫ কিলোমিটার বেগে উড়তে পারে। এদের দুই পাশে দুটি করে মোট চারটি ডানা থাকে। সেকেন্ডে ২৪০ বার ডানা ঝাপটায় এরা। মৌমাছি ক্ষুধার্ত থাকলে দিনে ১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে। তবে সাধারণত এরা চাকের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে থাকে। প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে। মৌমাছির মোট পাঁচটি চোখ রয়েছে। দুই পাশে দুটি এবং মাখায় তিনটি। কিন্তু তারা লাল রং দেখতে পারে না। পতঙ্গটির দুটো পাকস্থলী রয়েছে। একটি খাবার হজমের জন্য এবং আরেকটি ফুলের রস সংরক্ষণের জন্য যা তারা মৌচাকে বয়ে আনে।
রানী মৌমাছি মারা গেলে শ্রমিক মৌমাছিরা সদ্য জন্মানো একটি রানী মৌমাছিকে বাছাই করে। তাকে রয়্যাল জেলি নামে একধরনের বিশেষ খাবার খাওয়ানো হয়। ফলে দ্রুত বড় হতে থাকে মৌমাছিটি। এটিই প্রাপ্তবয়স্ক হলে রানী মৌমাছির জায়গা দখল করে। এজন্য রাণী ব্যতীত অন্য স্ত্রী মৌমাছিদের গোপনে লালন করা হয়। পরে শিশু স্ত্রী মৌমাছিটি বড় হলে তাকে লড়াই করে ওই মৌচাকের কর্তৃত্ব অর্জন করতে হয়। নাহয় আলাদা হয়ে পৃথক মৌচাক গড়ে তোলে ওই স্ত্রী মৌমাছিটি।
মৌমাছির মস্তিষ্কের আকার তিলের সমান হলেও তারা মানুষের মতো একে অপরের মুখ দেখেই চিনতে পারে, মনে রাখতে পারে। ২০১২ সালে এক গবেষণায় গবেষকেরা দেখেন যে মৌমাছি মানুষের মুখের ছবি মনে রাখতে পারে এবং পরে দেখলে সে মুখ চিনতেও পারে।
সায়েন্স টাইমসের মতে, পৃথিবীতে যত রকমের চাষ মানুষ করে থাকে তার ৭০ শতাংশ নির্ভর করে মৌমাছির ওপর। যদি মৌমাছি ফুলে ফুলে উড়ে মধু আহরণ না করে, তাহলে তাদের গায়ে ফুলের পরাগরেণু লাগবে না। সেই রেণু অন্য ফুলের গায়ে না লাগলে হবে না পরাগায়ণ। খুব কম সময়ের মধ্যে পৃথিবীতে আমাদের চেনাজানা কোনো গাছের অস্তিত্ব আর থাকবে না। আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, ‘মৌমাছি যদি না থাকে, তাহলে মানুষ নিশ্চিহ্ন হতে সময় লাগবে চার বছর।’
পবিত্র কুরআনুল কারিমে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কঠিন কিছু বিষয়কে সহজ করে বোঝানোর জন্য কিছু উপমা দিয়েছেন। সেসব উপমার মাধ্যমে আমাদের কিছু জিনিসকে স্পষ্ট এবং সহজ করে বুঝিয়েছেন। মহান রাব্বুল আলামিন পবিত্র কুরআনে বিশাল সাগর, পাহাড়ের বর্ণনা যেমন দিয়েছেন, তেমনি ক্ষুদ্র পিঁপড়া বা মশা-মাছিরও। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয় আল্লাহপাক মাছি কিংবা তার চেয়েও ছোট কোনো কিছুর উপমা দিতে লজ্জা করেন না।’ (সুরা বাকারা : ২৬)। উপমা সম্পর্কে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, ‘আমি মানুষের জন্য এই কুরআনে বিভিন্ন উপমা দিয়ে আমার বাণী বিশদভাবে বর্ণনা করেছি।’ (সুরা কাহাফ: ১৮)।
নিঃসন্দেহে এই উপমাগুলো মানুষের চিন্তাভাবনাকে জাগ্রত করে এবং গভীর নিদর্শন বহন করে। ক্ষুদ্র সৃষ্টির উদাহরণ মানুষের সীমাবদ্ধতা স্মরণ করিয়ে দেয়।
লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সাংবাদিক
পূর্বকোণ/ইবনুর















