দীর্ঘদিনের জমি সংকট কাটিয়ে অবশেষে এগিয়ে যাচ্ছে কক্সবাজারের রামুতে ফিফার আর্থিক সহায়তায় নির্মিত আধুনিক ফুটবল টেকনিক্যাল সেন্টার প্রকল্প। গত সোমবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) এই কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ১৫.২০ একর জমি বরাদ্দ দিয়েছে। দেশের সম্ভাবনাময় খেলোয়াড় তৈরি, প্রশিক্ষণের পরিধি বাড়ানো এবং ফুটবলের উন্নয়নে এই কেন্দ্রটি বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রায় চার বছর আগে কাজী সালাউদ্দিনের বাফুফে সভাপতির মেয়াদে এই প্রকল্পের সূচনা হয়। তখন সরকার বাফুফেকে ২০ একর জমি দিয়েছিল। কিন্তু রামুর খুনিয়াপালং এলাকায় সংরক্ষিত বনভূমি থাকার কারণে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর আপত্তির মুখে প্রকল্পটি থমকে যায়।
এরপর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আগের জমি বরাদ্দ বাতিল করে নতুন স্থান খুঁজে দেখার নির্দেশ দেয়, যার ফলে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ে। তবে এখন সেই জটিলতা কাটতে চলেছে—ফিফার নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে বাফুফে ৩০ বছরের জন্য স্থায়ীভাবে জমিটি লিজ নিয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই টেকনিক্যাল সেন্টারে থাকবে তিনটি ফুটবল মাঠ, খেলোয়াড় ও কোচদের জন্য চারতলা বিশিষ্ট দুটি আবাসিক ভবন, জিমনেসিয়াম, সুইমিংপুল, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সুবিধা, ক্যানটিন এবং সভাকক্ষসহ প্রয়োজনীয় নানা অবকাঠামো।
জমি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এম. এ. মান্নান আনুষ্ঠানিকভাবে বরাদ্দকৃত জমির দলিল বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের হাতে তুলে দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. শাজাদুর রহমান, বাফুফের সহ-সভাপতি মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী, মো. ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী (হ্যাপি), সাব্বির আহমেদ আরিফ এবং বাফুফের নির্বাহী কমিটির সদস্যরা।
পূর্বকোণ/আদর


















