চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬

নেতৃত্ব, নীতি ও রাজনৈতিক অগ্রাধিকারের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট প্রতিবাদ

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রায় মার্কিনিদের

ইরান যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসন, ফিলিস্তিনে মানবিক বিপর্যয় এবং হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি সরবরাহের সংকটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি। বিদেশের যুদ্ধ আর ঘরের বাজার- দুইয়ের চাপেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন মার্কিন ভোটাররা।

ডা. ম. রমিজউদ্দিন চৌধুরী, সম্পাদক

৫ নভেম্বর, ২০২৬ | ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকান পার্টির জন্য যে রাজনৈতিক বিপর্যয় নেমে এসেছে, তা কেবল কয়েকটি আসন হারানোর ঘটনা নয়; এটি ট্রাম্পের নেতৃত্ব, নীতি ও রাজনৈতিক অগ্রাধিকারের বিরুদ্ধে আমেরিকান জনগণের একটি সুস্পষ্ট প্রতিবাদ। ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের প্রাথমিক ও অনানুষ্ঠানিক ফলাফলে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট, উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পথে নয়, বরং সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বলে বিভিন্ন মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। মিসিসিপি ও আলাস্কার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনের চূড়ান্ত ফল তখনো অপেক্ষমাণ। তবে সামগ্রিক রাজনৈতিক বার্তা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট: ট্রাম্পের ওপর আস্থা হারিয়েছেন বিপুলসংখ্যক ভোটার।
এই পরাজয়ের পেছনে একক কোনো কারণ নেই। অর্থনৈতিক অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয়, ইরান যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা, অভিবাসননীতি, শুল্ক আরোপ এবং প্রশাসনের প্রতি অনাস্থা, সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে ট্রাম্পবিরোধী জনমত। তবে এবারের নির্বাচনের বিশেষ তাৎপর্য হলো, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ ও পররাষ্ট্রনীতির মূল্য যে শেষ পর্যন্ত সাধারণ আমেরিকান নাগরিককেও দিতে হয়, ভোটাররা তা স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন।

 

যুদ্ধের মূল্য দিচ্ছে সাধারণ আমেরিকান
ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল আমেরিকার অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিদেশের অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা কমানো। অথচ ক্ষমতায় আসার পর তাঁর প্রশাসন ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও সামরিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে নেওয়া এই যুদ্ধনীতি যুক্তরাষ্ট্রকে এমন এক সংঘাতের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে, যার অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক মূল্য ক্রমেই বাড়ছে।
ফিলিস্তিনে দীর্ঘদিনের মানবিক বিপর্যয়, গাজায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ এবং ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রতি ওয়াশিংটনের অব্যাহত সমর্থন আমেরিকার ভেতরেও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, মানবাধিকারকর্মী এবং আরব-আমেরিকান ও মুসলিম ভোটারদের একটি অংশের কাছে ফিলিস্তিনের প্রশ্নটি এখন আর দূরবর্তী কোনো আন্তর্জাতিক ইস্যু নয়; এটি মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির নৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতার পরীক্ষা।
ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ এবং আঞ্চলিক সংঘাত বিস্তারের ঝুঁকি মোকাবিলায় ট্রাম্প প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। ইরানে হামলা ও পাল্টা হামলার ধারাবাহিকতা মধ্যপ্রাচ্যকে আরও অস্থিতিশীল করেছে। অনেক আমেরিকান ভোটারের কাছে প্রশ্ন উঠেছে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই যুদ্ধ, নাকি ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক সামরিক লক্ষ্য রক্ষায় আমেরিকাকে আরও গভীরভাবে জড়িয়ে ফেলা হচ্ছে?
এই প্রশ্নের রাজনৈতিক গুরুত্ব উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। কারণ যুদ্ধের সিদ্ধান্ত ওয়াশিংটনে নেওয়া হলেও তার আর্থিক বোঝা বহন করতে হয় মার্কিন করদাতাদের।

 

হরমুজ প্রণালি থেকে আমেরিকার রান্নাঘর
এই যুদ্ধের সবচেয়ে তাৎক্ষণিক অর্থনৈতিক অভিঘাত এসেছে জ্বালানি সরবরাহে। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল বা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ সংকুচিত হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে জ্বালানির দাম, পরিবহন ব্যয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সামগ্রিক উৎপাদনব্যবস্থায়।
আমেরিকার সাধারণ নাগরিকের কাছে ভূরাজনীতির এই হিসাব শেষ পর্যন্ত এসে দাঁড়িয়েছে পেট্রল পাম্পের মূল্যতালিকা ও সুপারমার্কেটের কেনাকাটায়। জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয় বাড়ে; উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার খরচ বাড়লে খাদ্যসহ প্রায় সব পণ্যের দামেও তার প্রভাব পড়ে।
আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সংকটের প্রভাব সার উৎপাদন ও সরবরাহেও পড়ছে। প্রাকৃতিক গ্যাস সার উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কাঁচামাল। ফলে জ্বালানি সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন সার উৎপাদন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে ব্যাহত করতে পারে। এর প্রভাব কৃষি উৎপাদন থেকে শুরু করে খাদ্যের বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অর্থাৎ হরমুজ প্রণালির সংকট শুধু আন্তর্জাতিক তেলের বাজারের বিষয় নয়; এটি সাধারণ মানুষের খাদ্য, বাসস্থান, পরিবহন ও দৈনন্দিন ব্যয়ের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে যুদ্ধ হয়তো কৌশলগত সিদ্ধান্ত, কিন্তু ভোটারের কাছে তার ফলাফল হচ্ছে বাড়তি পেট্রল বিল, বেশি দামের মুদি পণ্য এবং মাসের শেষে কমে যাওয়া সঞ্চয়।

 

ভোটের অঙ্কে অর্থনীতি ও যুদ্ধবিরোধী মনোভাব
নির্বাচনের আগে প্রকাশিত গ্যালাপের জরিপে অর্থনীতি, স্বাস্থ্যসেবা ও ইরান পরিস্থিতি ভোটারদের প্রধান উদ্বেগ হিসেবে উঠে আসে। অর্থনীতিকে ৫০ শতাংশ এবং ইরান পরিস্থিতিকে ৪৭ শতাংশ ভোটার তাঁদের ভোটের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করেন। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন পরিস্থিতিকেও ৩৫ শতাংশ ভোটার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, নির্বাচনী পরবর্তী জনমত জরিপে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোটার জীবনযাত্রার ব্যয়কে ভোটের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মনে করেন, ট্রাম্পের নীতিই উচ্চমূল্যের জন্য দায়ী।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ফিলিস্তিন ইস্যু একা এই নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করেনি। কিন্তু ইরান যুদ্ধ, ইসরায়েলের প্রতি নিঃশর্ত সমর্থন এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততা, সব মিলিয়ে ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির গ্রহণযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
একই সঙ্গে শুল্কনীতির কারণে আমদানি পণ্যের দাম বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবার ব্যয়, আবাসনসংকট এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়াও রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে ভূমিকা রেখেছে। ভোটাররা শুধু ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি নয়, নিজেদের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তবতা দিয়ে প্রশাসনের সাফল্য বিচার করেছেন।

 

ট্রাম্পের ক্ষমতায় প্রথম বড় নিয়ন্ত্রণ
এই নির্বাচনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক ফল হলো, ট্রাম্পের হাতে থাকা কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাওয়া। এর ফলে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর ক্ষমতা শেষ হয়ে যাচ্ছে না, কিন্তু আগামী দুই বছরের জন্য তাঁর রাজনৈতিক স্বাধীনতা অনেকটাই সংকুচিত হবে।
ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত, বাজেট নিয়ন্ত্রণ, সামরিক ব্যয় অনুমোদন, গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগে বাধা এবং আইন প্রণয়নে বিরোধিতা করার সুযোগ পাবে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের অর্থায়ন, ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হতে পারে।
এমনকি যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক ক্ষমতা থাকলেও দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানের অর্থায়ন ও রাজনৈতিক বৈধতা নিশ্চিত করতে কংগ্রেসের সহযোগিতা প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্পের জন্য ইরান যুদ্ধ অব্যাহত রাখা কিংবা নতুন করে সংঘাত বিস্তারের সিদ্ধান্ত আগের তুলনায় কঠিন হবে।
তবে ডেমোক্র্যাটদের বিজয় মানেই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়। দলটির মধ্যেও ইসরায়েল, ফিলিস্তিন ও ইরান প্রশ্নে মতপার্থক্য রয়েছে। ফলে নতুন কংগ্রেসের প্রকৃত অবস্থান নির্ভর করবে নেতৃত্বের রাজনৈতিক অগ্রাধিকার এবং দলীয় ঐকমত্যের ওপর।

 

চূড়ান্ত ফল ও নতুন কংগ্রেসের অপেক্ষা
নির্বাচনের রাতের ফলাফল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত নয়। মিসিসিপি ও আলাস্কার কয়েকটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনের ফল, ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট গণনা, পুনর্গণনা এবং স্থানীয় ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পর ফল প্রত্যয়ন করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনের রাতের ফলকে চূড়ান্ত ফল হিসেবে বিবেচনা করা হয় না; সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কর্তৃপক্ষের (U.S. Election Assistance Commission) প্রত্যয়নই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়।
নির্বাচিত নতুন প্রতিনিধি ও সিনেটরদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে ২০২৭ সালের ৩ জানুয়ারি নতুন ১২০তম কংগ্রেসের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা।
বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
এই নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি আমদানি, পরিবহন, সার সরবরাহ, খাদ্য উৎপাদন এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়বে। বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতিতে এর অভিঘাত আরও গভীর হতে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি ও সারের দাম বাড়লে কৃষি উৎপাদন ও খাদ্যনিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে। প্রবাসী শ্রমিকদের কর্মসংস্থান এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহও আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
বাংলাদেশের কূটনীতির জন্যও এই পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি, ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনভিত্তিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান আরও জোরালো করা প্রয়োজন।

 

যুদ্ধের চেয়ে মানুষের জীবন বড়
ট্রাম্পের এই নির্বাচনী বিপর্যয়ের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, বিশ্বরাজনীতিতে সামরিক শক্তি ও আধিপত্যের প্রদর্শন দিয়ে দীর্ঘদিন জনগণের সমর্থন ধরে রাখা যায় না। আমেরিকান ভোটাররা দেখিয়ে দিয়েছেন, বিদেশে যুদ্ধের দাম যদি দেশের সাধারণ মানুষকে জ্বালানি, খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি মূল্য দিয়ে পরিশোধ করতে হয়, তাহলে সেই যুদ্ধের রাজনৈতিক সমর্থনও একসময় ফুরিয়ে যায়।
ফিলিস্তিনের মানুষের ওপর চলমান বিপর্যয়, ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির পুনর্মূল্যায়নের দাবিও এই নির্বাচনের ফলাফলে নতুন রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে।
ট্রাম্প হয়তো তাঁর প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষ করবেন ২০২৯ সালে। কিন্তু এই নির্বাচনের পর তাঁর সামনে আর আগের মতো বাধাহীন রাজনৈতিক মাঠ নেই। ডেমোক্র্যাটদের হাতে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ মানে শুধু ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তন নয়, বরং প্রেসিডেন্টের প্রতিটি বড় সিদ্ধান্তের ওপর নতুন করে জবাবদিহির চাপ।
আমেরিকান ভোটারদের বার্তা পরিষ্কার- বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণের রাজনীতির আগে নিজের দেশের মানুষের জীবনযাত্রার নিশ্চয়তা দিতে হবে। বিদেশের যুদ্ধ জয়ের দাবি দিয়ে ঘরের বাজারের পরাজয় ঢেকে রাখা যায় না।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট