চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

সর্বশেষ:

ইরান যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের দলে বিদ্রোহ, ইরান যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব পাস মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তার দলেই বিদ্রোহ

ইরান যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব পাস মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৪ জুন, ২০২৬ | ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেন ইরানের বিরুদ্ধে আর যুদ্ধ চালিয়ে যেতে না পারেন, সে লক্ষ্যে একটি প্রস্তাব (রেজ্যুলেশন) পাস করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউজ অব রেপ্রেজেনটেটিভস।

 

বুধবার (৩ জুন) এই ভোটাভুটিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির অভ্যন্তরীণ বিভেদকে আবারও প্রকাশ্যে এনেছে।

 

‘ওয়ার পাওয়ারস রেজ্যুলেশন’ বা যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত এই প্রস্তাবটি ২১৫-২০৮ ভোটে পাস হয়। কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা না করলে বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন না দেওয়া পর্যন্ত, এই প্রস্তাবের অধীনে ট্রাম্পকে ইরান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে। ভোটাভুটিতে চারজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাও ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন।

 

ভোটের পর মিশিগানের রিপাবলিকান প্রতিনিধি টম ব্যারেট বলেন, কেবল কংগ্রেসেরই যুদ্ধ ঘোষণার অধিকার রয়েছে এবং আমাদের অবশ্যই এটি রক্ষা করতে হবে। আমি আমার বিবেক অনুযায়ী ভোট দিয়েছি এবং এর যে কোনো পরিণতির মুখোমুখি হতে আমি প্রস্তুত।

 

প্রতিনিধি পরিষদে পাস হলেও বিলটি কার্যকর হতে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত মার্কিন সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন। তবে সিনেটে পাস হলেও এই যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধ করা কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই বিলে ভেটো (নাকচ) দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। আর প্রেসিডেন্টের সেই ভেটো বাতিল করতে হলে মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন হবে, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশ কঠিন।

 

এর আগে গত মে মাসে মার্কিন সিনেট একই ধরনের একটি প্রস্তাবের অগ্রগতি ঘটালেও সেটি এখনো চূড়ান্ত ভোটের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।

 

হাউজ ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য গ্রেগরি মিকস এই ভোটকে ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবৈধ ও ব্যয়বহুল যুদ্ধের বিরুদ্ধে একটি দ্বিপক্ষীয় কড়া থাপ্পড়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, এটি যুদ্ধ বন্ধের প্রথম পদক্ষেপ।

 

মিকস আরও অভিযোগ করেন, ট্রাম্প যুদ্ধের মূল লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন। উল্টো দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছেন এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচির কূটনৈতিক সমাধানকে আরও জটিল করে তুলেছেন।

পূর্বকোণ/পিআর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট