লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা ‘আইওএম’-এর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় লিবিয়ার ত্রিপোলি থেকে ফ্লাইটযোগে তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ গমনের উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে বলে জানা যায়। তাদের অনেকে লিবিয়ায় বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সকলের সঙ্গে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ জানানো হয়।
আইওএমের পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসিত প্রত্যেককে পথখরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা ‘আইওএম’-এর পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে প্রত্যাবাসন করা প্রত্যেক বাংলাদেশি নাগরিককে বাড়ি ফেরার প্রয়োজনীয় পথখরচ, জরুরি কিছু খাদ্য সামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা এবং অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজনে সাময়িক অস্থায়ী বাসস্থানের বিশেষ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।
লিবিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটকে থাকা বাকি অনিয়মিত বাংলাদেশিদেরও পর্যায়ক্রমে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
পূর্বকোণ/আদর/পারভেজ
















