বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও লেনদেনসংক্রান্ত বিভিন্ন সময়ে জারি করা সব নির্দেশনাবলী একটি একক নথিতে নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এ সার্কুলার জারি করা হয়েছে।ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন এ্যাক্ট, ১৯৪৭-এর ২০(৩) ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা এ সার্কুলারের মাধ্যমে গাইডলাইন্স ফর ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রানজেকশন-২০১৮ -এর প্রথম খণ্ডে অন্তর্ভুক্ত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও কার্যক্রমসংক্রান্ত বিদ্যমান নির্দেশনা এবং পরবর্তী সার্কুলারগুলো রহিত করা হয়েছে। তবে গাইডলাইন্স এর দ্বিতীয় খণ্ডে থাকা মাসিক প্রতিবেদন দাখিলসংক্রান্ত নির্দেশনা বহাল থাকবে।
নতুন সার্কুলারে বিনিময় হার ও প্রতিবেদন দাখিল, বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোর লেনদেন, এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (এসিইউ) ব্যবস্থায় অর্থ পরিশোধ ও নিষ্পত্তি, বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব, ওপেন পজিশন সীমা, নস্ট্রো হিসাবের সমন্বয়, ফরওয়ার্ড লেনদেন, সোয়াপ এবং আমদানি বাণিজ্যে পণ্যমূল্যের ঝুঁকি হেজিংসংক্রান্ত নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া ভার্চুয়াল সম্পদ ও ভার্চুয়াল মুদ্রার বিনিময়, স্থানান্তর ও লেনদেন এর উপর নিষেধাজ্ঞাসংক্রান্ত বিষয়ও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সার্কুলারটি জারির তারিখ থেকে এক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এ সময়ের মধ্যে জারি করা নতুন নির্দেশনাগুলোও এ সার্কুলারের সঙ্গে মিলিয়ে অনুসরণ করতে হবে।
খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, বিভিন্ন সময়ে ছড়িয়ে থাকা নির্দেশনাগুলো এক জায়গায় আনার ফলে বৈদেশিক মুদ্রাসংক্রান্ত বিধিবিধান খুঁজে পাওয়া ও তা পালন করা আগের চেয়ে অনেক সহজ হবে। এতে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের স্পষ্টতা বাড়বে এবং সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা সুবিধা হবে।
পূর্বকোণ/নুসরাত


















