চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব সেলিম উদ্দিন উদ্দিন খুন হওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় এবার তার সহযোদ্ধা দিদারুল আলম নুংকের লাশ (৪০) উদ্ধার করেছে পুলিশ। নুংকু কদলপুর ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ সমশের পাড়া কবির মিয়াজীর বাড়ি মৃত জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে রাঙামাটি জেলার পশ্চিম বেতবুনিয়া এলাকার লুঙ্গিপাড়া এলাকা থেকে বেতবুনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
এলাকার একটি সূত্র জানায়, বালু ও মাটি ব্যবসার বিরোধে হয়তো দিদারুল আলমও খুনের শিকার হতে পারেন।
নিহত নুংকুর স্ত্রী কহিনুর আকতার বলেন, ‘গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নুংকু বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর ১০টায় ফোন করে। কিন্তু এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের পর খবর পাই, একটি লাশ বেতবুনিয়া পুলিশ উদ্ধার করেছে। পরে বেতবুনিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে এসে আমার স্বামীর লাশ শনাক্ত করি।’
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুংকু সিএনজি অটোরিকশা চালাতো। পরে বালু-মাটি কাটাতো। সরকার পরিবর্তেনের পর তিনি নিহত যুবদল নেতা সেলিম উদ্দিনের সাথে রাজনীতিতে সংযুক্ত হয়ে মিটিং, মিছিল এবং মাটিকাটা ও বালুর ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম বেতবুনিয়া লুঙ্গিপাড়া এলাকায় একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পাহাড়ি জুম্মরা। পরে তারা বেতবুনিয়া পুলিশকে খবর দিলে তারা লাশ উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যান। লাশ ময়নাতন্তের জন্য রাঙামাটি হাসপাতালের মর্গে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, দিদারুল আলম নামের এক ব্যক্তির মরদেহ বেতবুনিয়া পুলিশ উদ্ধার করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন।
পূর্বকোণ/পিআর






















