চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬

সর্বশেষ:

দ্রুত বাড়ছে প্রবীণের সংখ্যা, ২০৫১ সালে প্রবীণপ্রধান হবে বাংলাদেশ: বিশ্বব্যাংক

দ্রুত বাড়ছে প্রবীণের সংখ্যা, ২০৫১ সালে প্রবীণপ্রধান হবে বাংলাদেশ: বিশ্বব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক

৩ নভেম্বর, ২০২৬ | ৬:৫২ অপরাহ্ণ

দেশে দ্রুত বাড়ছে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা। জনসংখ্যার বয়স কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বর্তমানে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর অনুপাত বেশি থাকলেও আগামী কয়েক দশকে এই চিত্র বদলে যাবে। ২০৫১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি প্রবীণ অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে, যেখানে তরুণের চেয়ে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা বেশি থাকবে বলে সতর্ক করেছে বিশ্বব্যাংক।
এ পরিস্থিতিতে প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা, দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যা ও বৃদ্ধ বয়সের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর বর্তমান সুবিধা কাজে লাগিয়ে উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী করার তাগিদ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার জনসংখ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য উঠে আসে।
সেমিনারে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনসংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগাতে যুবসমাজের সঠিক ব্যবহার, মানসম্মত শিক্ষা এবং প্রবীণদের সুরক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন বক্তারা।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য তুলে ধরে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, ভবিষ্যতে প্রবীণপ্রধান সমাজ সামলাতে কেয়ার ইকোনমি এবং প্রযুক্তিভিত্তিক গিগ ইকোনমির কর্মীদের সামাজিক ও আইনি সুরক্ষার আওতায় আনা জরুরি।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, শিশু, প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের সেবায় দক্ষ জনবল তৈরিতে সরকার কেয়ার ইকোনমির প্রসার ঘটাচ্ছে। সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান এবং কেয়ার ইকোনমি প্রসারে বিশেষ প্রশিক্ষণ চালুর কথাও জানান তিনি।
অন্যদিকে ২০৫০ সালের কথা মাথায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর জোর দেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। শিক্ষাব্যবস্থা সর্বজনীন ও বিশ্ববাজারের উপযোগী করার পাশাপাশি শিশু সুরক্ষা এবং চাইল্ড কেয়ার ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী।
পূর্বকোণ/নুসরাত/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট