ফ্যাক্টচেকিংয়ের মাধ্যমে তথ্যের সত্যতা যাচাই-বাছাই করে জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ (সালেহ শিবলী)।
তিনি বলেন, গুজব, গুঞ্জন ও অপপ্রচার রুখতে তথ্য যাচাইয়ের কোনো বিকল্প নেই। একই সঙ্গে অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালগুলোর ভুল তথ্য থেকে জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নিয়মিত আয়োজন ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’-এ অতিথির বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ আহ্বান জানান।
ডিআরইউ’র শফিকুল কবির মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানে প্রেস সচিব বলেন, বর্তমানে অনলাইন পোর্টাল, পত্রপত্রিকা ও গণমাধ্যমের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পর্যায়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিপুলসংখ্যক তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে।
‘এসব তথ্য শুধু সরকারকে বিব্রত করছে বা সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে বিষয়টি এমন নয়। বরং অনিবন্ধিত অনলাইনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার, মিথ্যা তথ্য, গুজব, গুঞ্জন, মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন ছড়িয়ে পড়ায় সামাজিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর জন্য গণমাধ্যমকে তথ্যের সত্যতা যাচাই-বাছাই করে জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে জনগণের সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমার ধারণা, তিন মাস যদি এমন সচেতনতামূলক একটি অনুষ্ঠান কোনো একটি টেলিভিশনে চলে, কিংবা অন্তত সবগুলো টেলিভিশনে চলে, দেখবেন জনগণ এমনিতেই সচেতন হয়ে যাবে।
আর যারা মিসইনফরমেশন-ডিসইনফরমেশনের এই ব্যবসা খুলে বসেছেন, তারাও নিজেদের গুটিয়ে নেবেন।’
সাংবাদিকদের স্বার্থ ও অধিকার আদায়ের বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, এ বিষয়ে সাংবাদিকদের নিজেদেরই সোচ্চার হতে হবে।
অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন, সহসভাপতি মেহেদী আজাদ মাসুম ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
সুত্র : বাসস
পূর্বকোণ/রানা

















