ভিয়েতনামে যে-সকল বাংলাদেশি কর্মী বিধি-বহির্ভূতভাবে বসবাস করছেন, তারা বাংলাদেশে ফেরত যাওয়ার জন্য নিকটস্থ পুলিশ স্টেশন অথবা ইমিগ্রেশন অফিসে সরাসরি সশরীরে উপস্থিত হয়ে রিপোর্ট করতে হবে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) ভিয়েতনামের বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিশেষ সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
এতে বলা হয়, দেশে ফিরতে হলে ভিয়েতনাম ইমিগ্রেশন নির্ধারিত জরিমানার পরিমান উল্লেখপূর্বক একটি সরকারি পত্র প্রদান করে থাকে। উক্ত পত্রে উল্লেখিত ব্যাংক একাউন্টে জরিমানার অর্থ প্রদান করে ইমিগ্রেশন কর্তৃক ইস্যুকৃত এক্সিট পাস নিয়ে নিজ পাসপোর্ট ব্যবহার করে বাংলাদেশে ফিরে যেতে পারবেন।
সর্বক্ষেত্রে, নিজে সরাসরি পুলিশ স্টেশন অথবা ইমিগ্রেশন অফিসে যোগাযোগ করার জন্য বলা হলো। বাংলাদেশি অথবা ভিয়েতনামের তৃতীয় কোনো ব্যক্তি মারফত যোগাযোগ করে এবং আর্থিক লেনদেন করে প্রতারিত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।
ইদানিং লক্ষ্য করা গেছে যে, কিছু বাংলাদেশি অসৎ ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রেরণ করার আশ্বাস দিয়ে এবং এমনকি দূতাবাসের নামেও বিপুল অর্থ আদায় করে প্রতারণা করছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, পাসপোর্ট না থাকলে কেবলমাত্র প্রয়োজনীয় ট্রাভেল পারমিট (সরকারি ফি মাঃ ডঃ ১০/-, যা আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় প্রায়শই মওকুফ করা হয়) ইস্যু করা ব্যতীত দূতাবাসের এ বিষয়ে কোন ধরনের সম্পর্ক নাই।
এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জরিমানার অর্থ ভিয়েতনাম সরকারের কোষাগারে সরাসরি জমা প্রদান করতে হয়।
এ বিষয়ক যে-কোনো প্রতারণার তথ্য উপযুক্ত প্রমাণক সহ দূতাবাসের ই-মেইলে ([email protected]) প্রেরণ করার জন্য দূতাবাস অনুরোধ জানাচ্ছে।
পূর্বকোণ/কায়ছার/পারভেজ















