সরকারি ও বেসরকারি সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের চিকিৎসায় বিশেষ ছয়টি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (১৯ মে) এ নির্দেশনায় সই করেছেন পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সব বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে আবশ্যিকভাবে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের চিকিৎসার জন্য আলাদা ওয়ার্ড বা কেবিন নির্ধারণ করতে হবে এবং ভর্তির আগেই চিকিৎসাসেবা দিতে হবে।
প্রতিটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ন্যূনতম ১০ শতাংশ শয্যা দরিদ্র জনগণের জন্য বিনামূল্যে সংরক্ষিত থাকার বিধান রয়েছে।
এর মধ্যে অর্ধেক, অর্থাৎ ৫ শতাংশ শয্যা হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের জন্য নির্ধারিত রাখতে হবে। ২৫০ শয্যার হাসপাতালে কমপক্ষে ১২টি শয্যা এই উদ্দেশ্যে বরাদ্দ থাকতে হবে।
এ ছাড়া প্রতিটি ভর্তি রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ একজন অভিভাবক বা দর্শনার্থী থাকতে পারবেন। ভর্তি রোগীর তথ্য প্রতিদিন ইএমএআইএস সার্ভারে (surveillance.dghs.gov.bd) আপলোড করতে হবে।
প্রয়োজনে হটলাইন নম্বরে (০১৭৫৯১১৪৪৮৮) যোগাযোগ করা যাবে।
নির্দেশনাগুলো: সব বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড বা কেবিন নির্ধারণ করবে। ভর্তির আগেই চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে হবে। ১০ শতাংশ বিনামূল্যের শয্যার অর্ধেক (৫ শতাংশ) হাম রোগীদের জন্য বরাদ্দ থাকবে, যেমন ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ন্যূনতম ১২টি শয্যা রাখতে হবে। প্রতিটি ভর্তি রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ একজন অভিভাবক বা দর্শনার্থী থাকতে পারবেন।
ভর্তি রোগীর তথ্য প্রতিদিন ইএমএআইএস সার্ভারে (surveillance.dghs.gov.bd) আপলোড করতে হবে। প্রয়োজনে হটলাইন ০১৭৫৯১১৪৪৮৮ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।
হাম রোগীদের চিকিৎসায় স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করতে হবে।
পূর্বকোণ/পিআর












