স্বর্ণে দাম আবারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। একই দিনে রুপার দামও ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম বেড়ে প্রতি আউন্সে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৭৫ দশমিক ২৪ ডলার। কিছু সময়ের জন্য তা ৪ হাজার ৭৯ দশমিক ৭০ ডলারের রেকর্ড স্পর্শ করে। যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর সরবরাহের সোনার ফিউচার মূল্যও ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৯৪ দশমিক ৭০ ডলার প্রতি আউন্সে।
রুপার বাজারেও একই চিত্র দেখা গেছে। সোমবার স্পট সিলভার বেড়ে প্রতি আউন্সে ৫১ দশমিক ০৩ ডলারে পৌঁছায়। যা কিছু সময়ের জন্য ৫১ দশমিক ৭০ ডলারের রেকর্ড স্পর্শ করে।
সবশেষ গত ৮ অক্টোবর রাতে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন ভরিতে ৬ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়েছে সংগঠনটি।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৯ হাজার ১০১ টাকায়। যা দেশের ইতিহাসে এক ভরি মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকা ও ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪২ হাজার ৩০১ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল ৮ অক্টোবর থেকে।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল ৮ অক্টোবর থেকে।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৭৪৭ টাকা ও ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৭১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৫৬ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
















