চট্টগ্রাম শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

সর্বশেষ:

ফুড অ্যান্ড বেভারেজ মার্কেটিং ফেস্ট ৬.০-তে একমঞ্চে বাংলাদেশের শিল্পনেতারা

বিজ্ঞপ্তি

২৯ আগস্ট, ২০২৬ | ৪:৩০ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের ফুড অ্যান্ড বেভারেজ খাতের শীর্ষ ব্যবসায়ী, মার্কেটার এবং ইন্ডাস্ট্রি প্র্যাক্টিশনারদের একমঞ্চে নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে “ম্যাগি প্রেজেন্টস ফুড অ্যান্ড বেভারেজ মার্কেটিং ফেস্ট ৬.০। এবারের আয়োজনটি পাওয়ার্ড বাই বেকম্যান’স অ্যান্ড পুষ্টি ইন অ্যাসোসিয়েশন উইথ মোজো অ্যান্ড ফুডি, ব্রট টু ইউ বাই কনকা।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ব্র্যান্ড প্র্যাক্টিশনার্স বাংলাদেশ আয়োজিত ফেস্টের ষষ্ঠ আসর অনুষ্ঠিত হয় রেনেসাঁ ঢাকা গুলশান হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে।

দিনব্যাপী আয়োজনে ২৫ জনের বেশি মার্কেটার, সিইও, বিজনেস হেড ও ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্ট নয়টির বেশি ফোকাসড সেশনে অংশ নেন। আয়োজনে যুক্ত হন ৩০০-এর বেশি পেশাজীবী ও ইন্ডাস্ট্রি পার্টিসিপেন্ট।
বদলে যাওয়া জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, ডিস্ট্রিবিউশন মডেল এবং প্রযুক্তি কীভাবে মানুষের ফুড ও বেভারেজ ব্র্যান্ড খোঁজা, বেছে নেওয়া এবং ব্যবহারের অভিজ্ঞতা বদলে দিচ্ছে, সেটিই ছিল আলোচনার অন্যতম কেন্দ্র। কনজিউমার ইনসাইট, ব্র্যান্ড বিল্ডিং, ইনোভেশন, সেলস, রুট-টু-মার্কেট, মার্কেট এক্সপ্যানশন, ডিজিটাল অ্যাক্সেলারেশন, অপারেশনস এবং এক্সিকিউশন নিয়ে বিভিন্ন সেশনে আলোচনা হয়।
আয়োজনের শুরুতেই অনুষ্ঠিত হয় সানশাইন আটা ময়দা সুজি প্রেজেন্টস ফুড ব্রিলিয়ান্জ কেস কম্পিটিশন-এর গ্র্যান্ড ফিনালে। “দ্য নিউ ফুড বাংলাদেশ নিডস” থিমে ফাইনালিস্টরা পরিবর্তিত ভোক্তা চাহিদা, প্রোডাক্ট ইনোভেশন এবং ব্যবসায়িক সম্ভাবনাকে সামনে রেখে তাদের নতুন ফুড ও বেভারেজ আইডিয়া উপস্থাপন করেন।

নতুন বাজার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
প্রথম ইন্ডাস্ট্রি প্যানেল “এক্সপ্লোরিং ফুড মার্কেট অপরচুনিটিজ, ট্রেন্ডস অ্যান্ড ফিউচার”-এ বাংলাদেশের ফুড মার্কেটে নতুন প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্র, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন এবং প্রতিযোগিতার নতুন বাস্তবতা নিয়ে আলোচনা হয়।

সেশনটি মডারেট করেন স্যাভয় আইসক্রিমের ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং লিডওয়াকিদ হায়দার। আলোচনায় ছিলেন সান্দ্রা ফুডস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের হেড অব বিজনেস মাহবুবুর রহমান, আকিজ ভেঞ্চার লিমিটেডের ব্র্যান্ড ম্যানেজার মো. শাহরিয়ার রেজা, ইফাদ মাল্টি প্রোডাক্টস লিমিটেডের ক্যাটাগরি লিড (স্পাইস অ্যান্ড মাস্টার্ড অয়েল) শাকিলা ইয়াসমিন, সিটি গ্রুপের পোর্টফোলিও ম্যানেজার (বেকড ফুড ইউনিট) মুজাহিদুল ইসলাম, ডেকো ফুডস লিমিটেডের হেড অব মার্কেটিং মো. নেয়ামুল কাদের।

কনজিউমার মাইন্ড থেকে মার্কেট গ্রোথ
“ফ্রম কনজিউমার মাইন্ড টু মার্কেট গ্রোথ: ফুড বিজনেস অ্যান্ড মার্কেটিং ৭.০” শীর্ষক ফায়ারসাইড চ্যাটে অংশ নেন আশরাফ বিন তাজ, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, আইডিসি বিডি পিএলসি এবং সুরাইয়া সিদ্দিকা, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, গ্রামীণ ড্যানোন ফুডস লিমিটেড।
আলোচনায় কনজিউমার ইনসাইটকে কীভাবে প্রযুক্তি, মার্কেট ইন্টেলিজেন্স, প্রোডাক্ট রিলেভেন্স, ভ্যালু ক্রিয়েশন এবং কার্যকর এক্সিকিউশনের সঙ্গে যুক্ত করে টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি তৈরি করা যায়, তা উঠে আসে।

বদলে যাচ্ছে ভোক্তার খাবার বেছে নেওয়ার ধরন
চৌধুরী তাসমিয়া জাবীন, বিজনেস ম্যানেজার, এসিআই ফুডস লিমিটেড তার “শিফটস ইন কনজিউমার বিহেভিয়ার ইন দ্য ফুডস ইন্ডাস্ট্রি: ফ্রম কনভেনিয়েন্স টু কনশাস চয়েসেস” সেশনে দেখান, কীভাবে ভোক্তারা এখন কনভেনিয়েন্সের পাশাপাশি স্বাস্থ্য, মূল্য, গুণগত মান এবং জীবনযাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য বিবেচনা করে খাদ্যপণ্য বেছে নিচ্ছেন।

শক্তিশালী রুট-টু-মার্কেট ও ডিজিটাল অ্যাক্সেলারেশন
সৈয়দ ইকবাল মাহমুদ হোসাইন, সেলস ডিরেক্টর, নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি তার “উইনিং দ্য মার্কেট থ্রু রুট টু মার্কেট, সেলস এক্সেলেন্স অ্যান্ড ডিজিটাল অ্যাক্সেলারেশন” সেশনে ডিস্ট্রিবিউশন, সেলস ক্যাপাবিলিটি এবং ডিজিটাল অ্যাক্সেলারেশনকে সমন্বিত করে কীভাবে আরও কার্যকরভাবে বাজারে পৌঁছানো যায়, তা তুলে ধরেন।

লঞ্চ থেকে অভ্যাসে পরিণত হওয়া ব্র্যান্ড
মো. শফিকুল ইসলাম তুষার, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (মার্কেটিং), আকিজ বেকার্স লিমিটেড পরিচালিত “এ ব্র্যান্ড: লঞ্চ টু হ্যাবিট” সেশনে একটি ব্র্যান্ডের যাত্রা শুধু লঞ্চে সীমাবদ্ধ না রেখে কীভাবে অ্যাওয়ারনেস ও ট্রায়াল থেকে রিপিট পারচেজ এবং নিয়মিত ব্যবহারের অভ্যাস তৈরি করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

নতুন খাবার, নতুন ক্যাটাগরি, নতুন বাজার
জি এম কামরুল হাসান, চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, ইগলু ক্যাটাগরি তার “ক্রিয়েটিং নিউ ফুডস অ্যান্ড মার্কেটস ইন এ চেঞ্জিং ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ল্যান্ডস্কেপ” সেশনে পরিবর্তিত কনজাম্পশন অকেশন, নতুন ভোক্তা চাহিদা এবং আচরণগত পরিবর্তন থেকে কীভাবে নতুন প্রোডাক্ট, ক্যাটাগরি ও বাজার তৈরি হতে পারে, তা তুলে ধরেন।

ভিশন থেকে লাভজনক ব্র্যান্ড
সিইও পর্যায়ের আলোচনা “ফ্রম ভিশন টু ভ্যালু: বিল্ডিং প্রফিটেবল ফুড ব্র্যান্ডস”-এ ব্যবসায়িক ভিশনকে কীভাবে টেকসই কমার্শিয়াল ভ্যালুতে রূপ দেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়।
প্যানেলে ছিলেন নাহারুল ইসলাম মোল্লা, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার লিমিটেড; তৌফিক হাসান, সিবিডিও, আকিজ রিসোর্স; মোহাম্মদ মোফাসসেল হক, বিজনেস ডিরেক্টর, টি.কে. গ্রুপ এবং ড. খালেদা ইসলাম, প্রফেসর ও সাবেক পরিচালক, ইনস্টিটিউট অব নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
সেশনটি মডারেট করেন সুমাইয়া মুতিয়াতুর, জয়েন্ট ডিরেক্টর, ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশনস, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র। আলোচনায় কনজিউমার অপরচুনিটি, পোর্টফোলিও ডিসিশন, ব্র্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, এক্সিকিউশন এবং প্রফিটেবিলিটি গুরুত্ব পায়।
স্ট্র্যাটেজির পর আসল পরীক্ষা এক্সিকিউশনে
“ড্রাইভিং ফুড বিজনেস গ্রোথ থ্রু অপারেশনস, সেলস অ্যান্ড মার্কেট এক্সিকিউশন” সেশনে ফুড ব্যবসার অপারেশনাল দিক এবং বাজার বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।
প্যানেলে ছিলেন এ কে এম জাবেদ, চিফ অপারেটিং অফিসার, ডেকো ফুডস লিমিটেড; মো. আক্তারুল আলম শাহ, চিফ অপারেটিং অফিসার, আকিজ এসেনশিয়ালস লিমিটেড এবং রাকিবুল মতিন, ডিরেক্টর, সেলস অ্যান্ড বিজনেস, স্যাভয় আইসক্রিম। সেশনটি মডারেট করেন আশফাকুর রহমান, চিফ অপারেটিং অফিসার, কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেট লিমিটেড।
অপারেশনাল ডিসিপ্লিন, সেলস এক্সিকিউশন, ডিস্ট্রিবিউশন, ক্রস-ফাংশনাল কো-অর্ডিনেশন এবং দ্রুত পরিবর্তিত বাজার পরিস্থিতিতে সাড়া দেওয়ার সক্ষমতার ওপর আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ইনসাইট, স্ট্র্যাটেজি ও মার্কেটিং ইনোভেশন
“শেপিং ফুড ব্র্যান্ডস থ্রু স্ট্র্যাটেজি, ইনসাইটস অ্যান্ড মার্কেটিং ইনোভেশন” সেশনে আধুনিক ফুড এবং কনজিউমার ব্র্যান্ড নির্মাণে স্ট্র্যাটেজি, ইনসাইট, ডিজিটাল মিডিয়া এবং মার্কেটিং ইনোভেশনের ভূমিকা উঠে আসে।
প্যানেলে ছিলেন মো. আক্তারুজ্জামান, হেড অব মার্কেটিং, নাবিল গ্রুপ; মো. মাহাদী ফয়সাল, ডিরেক্টর, মার্কেটিং অ্যান্ড গ্রোথ, এসিআই লজিস্টিকস লিমিটেড (স্বপ্ন); কাজী মহিউদ্দিন, সিএমও, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এবং শাহ সাইফুল্লাহ আল জাকেরিন, গ্রুপ ম্যানেজার, ডিজিটাল মিডিয়া, মিডিয়াকম লিমিটেড। মডারেট করেন লুৎফি চৌধুরী, কো-ফাউন্ডার অ্যান্ড সিইও, অ্যাডফিনিক্স।
দিনব্যাপী আলোচনায় একটি বিষয় বারবার উঠে আসে, আধুনিক ফুড ব্যবসায় কনজিউমার আন্ডারস্ট্যান্ডিং, ব্র্যান্ডিং, প্রাইসিং, সেলস, ডিস্ট্রিবিউশন, অপারেশনস, প্রযুক্তি এবং মার্কেট এক্সিকিউশন এখন আর আলাদা বিষয় নয়। ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির জন্য এগুলোকে সমন্বিতভাবে দেখতে হচ্ছে।
আয়োজনে বিজনেস ব্রিলিয়ান্জ-এর ১০ম ইস্যুও প্রকাশিত হয়, যা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন উদ্যোগ, ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক পরিবর্তনকে সম্পাদকীয়ভাবে তুলে ধরে।

শিল্পনেতাদের দৃষ্টিতে প্ল্যাটফর্মটির গুরুত্ব
সৈয়দ ইকবাল মাহমুদ হোসাইন, সেলস ডিরেক্টর, নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি বলেন, “কনজিউমার ইনসাইট থেকে শুরু করে সেই ইনসাইটকে অর্থবহ ফুড ইনোভেশনের দিকে নিয়ে যাওয়ার মতো একটি প্ল্যাটফর্ম দেখতে পাওয়া উৎসাহব্যঞ্জক।”
মো. শফিকুল ইসলাম তুষার, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (মার্কেটিং), আকিজ বেকার্স লিমিটেড বলেন, “আমরা এমন একটি প্ল্যাটফর্মকে সমর্থন করতে পেরে আনন্দিত, যা শুধু প্রোডাক্ট আইডিয়ায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং একটি ব্র্যান্ড কীভাবে ভোক্তার দৈনন্দিন অভ্যাসের অংশ হয়ে ওঠে, সেটিও বিবেচনায় নেয়।”
মোহাম্মদ মোফাসসেল হক, বিজনেস ডিরেক্টর, টি.কে. গ্রুপ বলেন, “সবচেয়ে শক্তিশালী আইডিয়াগুলো ইনোভেশনের সঙ্গে বাস্তব মার্কেট অপরচুনিটির সংযোগ তৈরি করে। আমাদের কাছে এই প্ল্যাটফর্মের আকর্ষণ সেখানেই।”
মো. শাহনেওয়াজ মান্নান, চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, ফুডি বলেন, “প্রযুক্তি মানুষের খাবার আবিষ্কার এবং অভিজ্ঞতার ধরন বদলে দিচ্ছে। সেই পরিবর্তনকে বৃহত্তর ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার এই আলোচনার সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত।”
মো. নুরুল আফসার, গ্রুপ সিইও অ্যান্ড ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপ বলেন, “কনজিউমার লাইফস্টাইল বদলাচ্ছে। একই সঙ্গে খাবার প্রস্তুত, সংরক্ষণ এবং ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও বদলে যাচ্ছে। ফলে এই ক্যাটাগরির আশপাশে থাকা ব্যবসাগুলোর জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।”

সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের এক জায়গায় আনার চেষ্টা
মির্জা মো. ইলিয়াস, ফাউন্ডার অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ব্র্যান্ড প্র্যাক্টিশনার্স বাংলাদেশ বলেন, ফেস্টটির উদ্দেশ্য ছিল ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন অংশকে বাস্তব ও কার্যকর ব্যবসায়িক আলোচনার মাধ্যমে সংযুক্ত করা।
তিনি বলেন, “ফুড অ্যান্ড বেভারেজ এখন শুধু প্রোডাক্টের বিষয় নয়। কনজিউমার বিহেভিয়ার, ডিস্ট্রিবিউশন, প্রযুক্তি, ব্র্যান্ডিং এবং এক্সিকিউশন একে অন্যের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হচ্ছে। ফুড অ্যান্ড বেভারেজ মার্কেটিং ফেস্ট ৬.০-এর মাধ্যমে আমরা সেই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া মানুষদের এক জায়গায় আনতে চেয়েছি এবং এমন আলোচনা তৈরি করতে চেয়েছি, যা ইন্ডাস্ট্রির পরবর্তী ধাপের প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে।”
ফরমাল সেশনের বাইরে ফেস্টটি ফুড ম্যানুফ্যাকচারিং, বেভারেজ, রিটেইল, ডিস্ট্রিবিউশন, সেলস, প্রযুক্তি, মার্কেটিং এবং সংশ্লিষ্ট খাতের পেশাজীবীদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং, নতুন ব্যবসায়িক সংযোগ, পার্টনারশিপ এবং কোলাবোরেশনের সুযোগ তৈরি করে।
আয়োজনটির প্রেজেন্টিং পার্টনার ছিল ম্যাগি, পাওয়ার্ড বাই বেকম্যান’স অ্যান্ড পুষ্টি, ইন অ্যাসোসিয়েশন উইথ মোজো অ্যান্ড ফুডি, ব্রট টু ইউ বাই কনকা।

এ ছাড়া প্লাটিনাম পার্টনার হিসেবে ইস্পাহানি, এসিআই পিওর, আকিজ এসেনশিয়াল ও নাবিল গ্রুপ; মাঞ্চ পার্টনার রুচি; নিউট্রিশন পার্টনার শক্তি+; আইসক্রিম পার্টনার স্যাভয় আইসক্রিম; পাউডার ড্রিংক পার্টনার ডেকো ফ্রুটফান্ডা; রাইস পার্টনার অভিজাত; অর্গানিক পার্টনার কাজী অ্যান্ড কাজী টি; ইলেক্ট্রোলাইট পার্টনার এসিআই ইলেক্ট্রোলাইট ড্রিংকস; গ্রোসারি পার্টনার খাস ফুড; টিস্যু পার্টনার পারটেক্স ক্লিন টিস্যু; টেবিলওয়্যার পার্টনার মুন্নু সিরামিকস; হোরেকা পার্টনার ক্যাফে কিভা হান এবং পাবলিকেশন পার্টনার বিজনেস ব্রিলিয়ান্জ আয়োজনটির সঙ্গে যুক্ত ছিল।

পূর্বকোণ/জিলানী/এএইচ

শেয়ার করুন