এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে অংশ নিতে যাচ্ছেন মেক্সিকোর তরুণ তুর্কি গিলবার্তো মোরা ,তার বয়স সবেমাত্র ১৭ বছর ২৪০ দিন। মোরার সামনে সুযোগ রয়েছে বিশ্বকাপে নিজের প্রতিভার প্রমাণ দিয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখানোর।
ফিফার প্রকাশিত ৪৮ দলের অফিসিয়াল তালিকা অনুসারে- এবারের বিশ্বকাপে বিভিন্ন দলে হয়ে ২২ জন টিনএজার অংশ নিচ্ছেন। সকল দলের মোট ১২৪৮ জন খেলোয়াড় ৪৮ দেশকে প্রতিনিধিত্ব করবে। যাদের মধ্যে টিনএজ মিডফিলডার মোরা সর্বকনিষ্ঠ।আরো কিছু খেলোয়াড় যাদের বয়স ১৯ ছাড়িয়ে গেছে, তারাও প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন।
লিগা এমএক্স’র খেলোয়াড় মোরা গত এক বছর ধরেই মেক্সিকোর অন্যতম উদীয়মান তারকা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করে এসেছে। বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেলে মেক্সিকোর ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবেও তিনি রেকর্ড গড়ার সুযোগ পাবেন। ২০২৫ সালে গোল্ড কাপ বিজয়ী মেক্সিকো দলের সদস্য ছিলেন তিনি।
ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে এখনো পর্যন্ত বিশ্বকাপে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ফাইনালে গোল করার রেকর্ড ধরে রেখেছেন। ১৯৫৮ সালে শিরোপা জয়ী ব্রাজিলের হয়ে খেলেছিলেন ১৭ বছর বয়সী পেলে। ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জয়ী ফ্রান্স দলে নিজের প্রতিভার জানান দিয়েছিলেন ১৯ বছর বয়সী কিলিয়ান এমবাপ্পে। দুই দশক আগে ইংল্যান্ডের মাইকেল ওয়েন ১৯৯৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপে ১৮ বছর বয়সে খেলতে নেমেছিলেন।
২০২৪ সালের আগস্টে মাত্র ১৫ বছর বয়সে মেক্সিকান প্রথম বিভাগে খেলতে নেমে মোরা সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়ের রেকর্ড গড়েছিলেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মাত্র ১৬ বছর বয়সে তার জাতীয় দলে অভিষেক হয়।
রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা ও প্রিমিয়ার লিগের কিছু দল নিয়মিত টিনএজারদের নিয়ে কাজ করে আসছে ও তাদের সুযোগ করে দিচ্ছে।এ ছাড়াও এবারের বিশ্বকাপে আরো কিছু উদীয়মান তারকা রয়েছেন যাদের দিকে সকলের নজর থাকবে।
সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়দের পাশাপাশি ৪১ বছর বয়সী পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোসহ ৪০ বছরের বেশি বয়সে আরো ছয়জন খেলোয়াড় এবারের আসরে খেলছেন।
ফিফার তালিকানুযায়ী- ৩৫৭ জন খেলোয়াড়ের অন্তত একটি বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাকি ৮৯১ জনেরই বিশ্বকাপে অভিষেক হতে যাচ্ছে।
পূর্বকোণ/আদর


















