তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনের খেলা শেষে নিজেদের অবস্থানকে শক্ত করে নিয়েছে বাংলাদেশ। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পাকিস্তানের উপর চাপ সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশের বোলাররা। লাঞ্চ বিরতিতে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৫১ রান। এই মুহূর্তে ব্যাট করছেন পাকিস্তানের স্বীকৃত ব্যাটসম্যানদের সর্বশেষ জুটি রিজওয়ান–সালমান।
এখনও প্রথম ইনিংসে ১৬২ রানে পিছিয়ে আছে সফরকারীরা। সালমান আলি আগা ১২ ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ৮ রানে অপরাজিত আছেন।
দিনের শুরুতেই আঘাত করেন তাসকিন। অভিষিক্ত সেঞ্চুরিয়ান আজান আওয়াইজকে ফিরিয়ে ১০৪ রানের জুটি ভাঙেন তিনি।
অফ স্টাম্পের বাইরের বলে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন আজান। নিজের প্রথম টেস্ট ইনিংসে ১৬৫ বলে ১০৩ রান করেন এই পাকিস্তানি ব্যাটার।
আজানের বিদায়ের পর অধিনায়ক শান মাসুদও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তাসকিনের অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে ক্যাচ দেন তিনি। দুর্দান্ত ডাইভ দিয়ে ক্যাচ নেন সাদমান ইসলাম। ১৭ বলে ৯ রান করে ফেরেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
একপ্রান্তে অবশ্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন আরেক অভিষিক্ত ব্যাটার আব্দুল্লাহ ফাজাল। দিনের শুরুতে জীবন পাওয়ার পর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন বাঁহাতি এই টপ অর্ডার ব্যাটার। ১০২ বলে স্পর্শ করেন ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট ফিফটি।
তবে এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তভাবে নিজেদের হাতে নেন মিরাজ। প্রথমে সাউদ শাকিলকে এলবিডব্লিউ ফাঁদে ফেলেন তিনি। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। শূন্য রানে ফিরে যান পাকিস্তানের নির্ভরযোগ্য এই ব্যাটার।
এর কিছুক্ষণ পর মিরাজ ভাঙেন ফজলের প্রতিরোধও। বড় শট খেলতে গিয়ে তাইজুল ইসলামের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। তার ১২০ বলে ৬০ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল সাতটি চারে। এরই মধ্যে আরেকটি উইকেট পেতে পারতেন তাসকিন।
সালমান আলি আগা শূন্য রানে থাকা অবস্থায় লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিলেও তৃতীয় আম্পায়ার রিপ্লেতে দেখা যায়, ডেলিভারির সময় ‘নো’ বল করেছিলেন বাংলাদেশের এই পেসার। ফলে বেঁচে যান সালমান। প্রথম সেশনে চার উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে দারুণভাবে ফিরে এসেছে বাংলাদেশ।
পূর্বকোণ/পিআর
















