বিশ্বজুড়ে তুলনামূলক কম বয়সি মানুষের মধ্যেও কোলন ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার ঘটনা বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রেই রোগটি শুরুতে নীরবে অগ্রসর হয় এবং স্পষ্ট উপসর্গ দেখা দিতে সময় লাগে। তাই সূক্ষ্ম সতর্কসংকেতগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি প্রতিদিনের কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
কফিতে চুমুক
কফি কেবল ঘুম তাড়ায় না, শরীরকে ভিতর থেকে সুরক্ষাও দেয়। কফিতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা কোষের ক্ষতি রোধ করে। সৌরভ বলেন, “কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কফি খেলে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। তবে খালি পেটে না খেয়ে সকালের খাবারের পর থেকে বিকেলের মধ্যে কফি খেতে হবে।”
পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করুন
ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার অন্ত্রে থাকা ক্ষতিকর উপাদানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সেগুলোকে কোলনের অভ্যন্তরীণ আবরণে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলা থেকে বাধা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কম থাকার সঙ্গে সম্পর্কিত। এ ক্ষেত্রে সাধারণ দই, দুধ বা ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার বেছে নেওয়া যেতে পারে।
প্রক্রিয়াজাত খাবার বাদ দিন
বেকন, সসেজ, ফ্রোজেন মাংস রোজ খেলে বাড়তে পারে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) প্রসেসড মিটকে গ্রুপ ওয়ান কার্সিনোজেন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাই শুধু কোলন ক্যানসার নয়, যে কোনো ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে এই সব খাবার বাদ দিতে হবে।
আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান
আঁশসমৃদ্ধ খাবার হজম ও অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। পাশাপাশি এগুলো নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করে, রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে ভূমিকা রাখে এবং কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক হতে পারে। খাবারে শিম, মসুর ডাল, পূর্ণ শস্য, ফল, শাকসবজি, বাদাম ও বীজ রাখা উচিত।
উপসর্গের অপেক্ষা না করে স্ক্রিনিং করুন
শুরুর দিকে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের স্পষ্ট উপসর্গ না-ও থাকতে পারে। তাই ৪৫ বছর বয়সের পর নিয়মিত স্ক্রিনিং জরুরি। পারিবারিক ইতিহাস বা অন্য ঝুঁকি থাকলে আরও আগে স্ক্রিনিং করান।
পূর্বকোণ/মিফতা

















