চট্টগ্রাম বুধবার, ০৫ আগস্ট, ২০২৬

সর্বশেষ:

ভারতকে কোহিনূর হীরা ফিরিয়ে দিতে কিং চার্লসকে উৎসাহিত করলেন জোহরান মামদানি

ভারতকে কোহিনূর হীরা ফিরিয়ে দিতে কিং চার্লসকে উৎসাহিত করলেন জোহরান মামদানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ | ১২:৪৭ অপরাহ্ণ

ভারতের অমূল্য রত্ন কোহিনূর হীরা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি নতুন নয়, তবে এবার সেই দাবিতে সুর মেলালেন নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি।

যুক্তরাষ্ট্র সফররত কিং চার্লস টুইন টাওয়ার (১/১১) হামলায় নিহতদের স্মরণে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গতকাল বুধবার নিউ ইয়র্ক শহরে গিয়েছিলেন। এর কয়েক ঘণ্টা আগে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওই কথা বলেন নিউ ইয়র্কের ভারতীয় বংশোদ্ভূত মেয়র মামদানি।

 

তিনি বলেন, ‘এর বাইরে যদি আমি রাজার সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলতাম, তবে আমি সম্ভবত তাকে কোাহিনূর হীরাটি ফেরত দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করতাম।’

 

রয়টার্স জানিয়েছে, ওই দিন পরে স্মরণ অনুষ্ঠানে মামদানির সঙ্গে কথা বলেন চার্লস। তবে তাদের মধ্যে কী কথা হয়েছে বাকিংহাম প্যালেস তা নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। কোহিনূর হীরার বিষয়টি রাজার কাছে তুলেছিলেন কি না, জানতে চেয়ে করা মন্তব্যের অনুরোধে মামদানির দপ্তর সাড়া দেয়নি।

 

এর আগে ভারত বহুবার ব্রিটেনের কাছে ১০৫ ক্যারেটের এই হীরাটি ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছিল।

 

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৮৪৯ সালে পাঞ্জাব দখল করার পর ওই অঞ্চলের পদচ্যুত নেতার কাছ থেকে কোহিনূর হীরা নিয়ে নেয়। ওই সময়ের ভারতীয় উপনিবেশের গভর্নর জেনারেল ১৮৫০ সালে হীরাটি ব্রিটিশ রানি ভিক্টোরিয়াকে উপহার দেন। তারপর থেকে হীরাটি ব্রিটেনেই আছে।

 

চার্লস নিউ ইয়র্কে গিয়ে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের প্রাণঘাতী হামলায় নিহতদের স্মরণ করেন। এক সময় যেখানে বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রের টুইন টাওয়ার ছিল সেখানে তৈরি করা স্মারক স্তম্ভে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি।

 

ভারতে ব্রিটিশ উপনিবেশ স্থাপনের পর থেকে ভারতীয়দের ওপর সংঘটিত ব্যাপক নৃশংসতা দেশটিতে আজও একটি স্পর্শকাতর বিষয়।

 

বিভিন্ন সময় ভারত বলেছে, ‘কোহিনূর হীরা একটি মূল্যবান শিল্পকর্ম যার শিকড় আমাদের জাতির ইতিহাসে গভীরভাবে প্রোথিত।’

 

ব্রিটিশদের হাতে এই হীরা থাকাকে অনেক ভারতীয় ব্রিটিশ শাসনামলে সংঘটিত ঔপনিবেশিক অত্যাচারের প্রতীক হিসেবে দেখেন।

 

এই হীরা এক সময় মোগল সম্রাটদের কাছে, ইরানের শাহ, আফগানিস্তানের আমির ও শিখ মহারাজাদের কাছে ছিল।

পূর্বকোণ/পিআর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট