চট্টগ্রামে বিজিএমইএর তালিকাভুক্ত পোশাক কারখানা গুলোতে ঈদের আগে বেতন ও বোনাস পরিশোধ করায় শ্রমিকদের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। সময় মতো বেতন ও ঈদ বোনাস পেয়ে শ্রমিকরা পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে হাসিমুখে নিজ নিজ বাড়ির পথে রওনা হচ্ছেন।
বিজিএমইএর তালিকাভুক্ত চট্টগ্রামের ৩৪২টি কারখানাতেই ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএর প্রথম সহ–সভাপতি সেলিম রহমান। তিনি বলেন, কিছু কারখানা বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে অর্ডার কমে যাওয়া ও ঋণের চাপের মধ্যেও শ্রমিক ভাই–বোনদের পাওনা পরিশোধ করেছে, যা অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান শিল্পবান্ধব ও শ্রমবান্ধব সরকারের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে বিশেষ ঋণ সুবিধা এবং দ্রুত ২,৫০০ কোটি টাকার নগদ সহায়তা ছাড়ের সিদ্ধান্ত উদ্যোক্তাদের তারল্য সংকট লাঘবে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। এর ফলে বেতন–বোনাস পরিশোধ এবং শিল্পের কার্যক্রম সচল রাখা অনেকটাই সহজ হয়েছে।
বিজিএমইএ’র সহ–সভাপতি মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী বলেন, বিজিএমইএ সদস্যরা সবসময় শ্রমিক ভাই–বোনদের প্রতি দায়বদ্ধ। ঈদের আগের শেষ কর্মদিবসেই চট্টগ্রামে বিজিএমইএ’র তালিকাভুক্ত সকল কারখানায় শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে কোথাও শ্রমিক অসন্তোষের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ঈদের আগে পাওনা বুঝে পেয়ে শ্রমিকরা হাসিমুখে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন।
তিনি আরও বলেন, বেতন–বোনাস পরিশোধ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর নিয়মিত সহযোগিতা দিয়েছে। এ জন্য বিজিএমইএ পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
পূর্বকোণ/ইবনুর


















