পাহাড়ের পাদদেশে গড়ে ওঠা একটি কলোনি। সরু-স্যাঁতসেঁতে আঁকাবাঁকা গলি, যেখানে দু’জন মানুষ পাশাপাশি হাঁটলে গায়ে গায়ে ধাক্কা লাগে। সেই গলির একেবারে শেষ মাথায় ৬ বাই ১০ ফুটের ছোট্ট একটা সেমিপাকা ঘর। খাট আর আলমারি বসানোর পর সেখানে যেন নড়াচড়ার আর এতটুকু জায়গাও নেই। বাইরে বৃষ্টির টুপটাপ শব্দ, অথচ ঘরের ভেতরটা দমবন্ধ। জানালাবিহীন ঘরটিতে ঢোকে না আলো, আসে না বাতাসও। সেই ‘কুঁড়েঘরেই’ দুই সন্তানকে বুকে আগলে কোনমতে বেঁচে আছেন সীমা আক্তার। এই ঘর থেকেই গতবছরের ১৬ জুলাই সকালে সর্বশেষ বেরিয়ে […]