চট্টগ্রাম বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

সর্বশেষ:

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে: প্রতিমন্ত্রী

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে: প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

১২ আগস্ট, ২০২৬ | ৫:৩৪ অপরাহ্ণ

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, ‘আমরা গতকাল সন্ধ্যা থেকে একটা কৌশল নিয়েছি, আশা করছি আজকে সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে।’

 

বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামিটের ভাসমান টার্মিনালে কার্গো খালাস সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটি বর্তমানে প্রায় ৫০ শতাংশ সক্ষমতায় চলছে। টার্মিনালটি পুরো সক্ষমতায় চালাতে হলে আবার প্রায় ৭২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখতে হবে। এ কারণে কখন টার্মিনালটি বন্ধ রাখা হলে জনদুর্ভোগ সবচেয়ে কম হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

 

তিনি বলেন, মানুষের ভোগান্তি চরমে, এটি নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। সে কারণে বারবার জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে টার্মিনালে গ্যাস খালাসে সমস্যা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে গ্যাস খালাস ও সরবরাহও স্বাভাবিক হবে।

 

গ্যাসের সরবরাহ কমে গেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে জ্বালানি সংকট তৈরি হয় জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় গতকাল সন্ধ্যা থেকে একটি কৌশল নেওয়া হয়েছে। এর ফলে আজ সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উৎস থেকেও এলএনজি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এবং একটি সরকারি দল সেখানে গেছে। মালয়েশিয়া থেকে অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। এটিকে মধ্যমেয়াদি সমাধান হিসেবে দেখছে সরকার। একই সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও এলএনজি সরবরাহের বিষয়ে সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

 

সার্বিক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি কবে নাগাদ পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয় বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এবং হাতে থাকা সব বিকল্প নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

 

বর্তমান সংকটের জন্য আগের সরকারগুলোর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ঘাটতিকে দায়ী করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, অতীতে তাৎক্ষণিক সমাধানের দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খোঁজা হয়নি। ফলে একপর্যায়ে এ ধরনের সংকটের মুখে পড়তে হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গ্রীষ্মকালেই এবার এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পূর্বকোণ/নুসরাত

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট