‘সাংবাদিকরা বাঁচলে বাংলাদেশের রাজনীতি বাঁচবে’ জানিয়ে জাতীয় সংসদের হুইপ এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, “সাংবাদিকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য ওয়েজ বোর্ড হওয়া দরকার। এখনও নবম ওয়েজ বোর্ড চলছে কিন্তু মালিকদের কারণে সেটা বাস্তবায়িত হয়নি। সাংবাদিকরা ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকবো। সরকারি গেজেটও হয়েছে কিন্তু এটা শিল্পের মর্যাদা পায়নি।”
মঙ্গলবার (২৮এপ্রিল) বিকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৩তম দিনে সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, “অনেক গণমাধ্যমে সাংবাদিকরা নিয়মিত বেতন পান না। আমি বিশ্বাস করি যে, এই দেশের সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তারা যেভাবে বেতন পেয়ে থাকে— আমি চাই যোগ্যতা অনুযায়ী সাংবাদিকদেরকেও—।”
তিনি আরও বলেন, “সাংবাদিকদের নামে যারা ইতোপূর্বে আমাদের চরিত্র হনন করেছেন, আমি আপনার কাছে অনুরোধ করবো এসব সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে, যারা ওয়ান ইলেভেনের নায়ক ছিল, যারা ওয়ান ইলেভেন নিয়ে এসেছিল, যারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট করতে চেয়েছিল, বিনিষ্ট করতে চেয়েছিল, যারা ইসলামকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল, যারা এসব সাংবাদিক, যারা আমাকে জঙ্গি বানিয়েছিল, যারা ব্যারিস্টার আমিনুল হককে জঙ্গি বানিয়েছিল, যারা মতিউর রহমান নিজামীকে জঙ্গি বানিয়েছিল, যারা দেলোয়ার হোসেন সাঈদকে জঙ্গি বানিয়েছিল, এসব সাংবাদিকদের অবশ্যই জবাবদিহি দরকার।”
জাতীয় সংসদের এই হুইপ বলেন, “আমরা রাজনীতি করি দেশের জন্য, আমার সন্তানরা আজ ভয়ে রাজনীতি করতে সাহস করে না। যে ভীতির রাজনীতি আওয়ামী লীগ-শেখ হাসিনা দিয়ে গেছে। আমাদের সন্তানদের সেই ভয়টা আজ কাটানোর সুযোগ হয়েছে। যাদের আত্মত্যাগ, যাদের রক্তের বিনিময়ে গণতন্ত্র আমরা অর্জন করেছি— আমি বিশ্বাস করি, তারেক রহমান এবং বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমান যেটা শুরু করেছেন, আমরা চাই যত ষড়যন্ত্র, যত চক্রান্ত হোক না কেন— ফ্যাসিস্টরা যেন আগামী দিনে এই ষড়যন্ত্রের কারণে সুযোগ না পায়।”
পূর্বকোণ/সিজান/পারভেজ





















