চট্টগ্রাম বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বন্যার রেশ না কাটতেই তিব্বতে ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল নেপালও

বন্যার রেশ না কাটতেই তিব্বতে ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল নেপালও

অনলাইন ডেস্ক

৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ

শক্তিশালী ৫.৩ মাত্রার একটি ভূমিকম্প তিব্বতে আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি)। য়ার ভূমিকম্পন নেপালেও অনুভূত হয়েছে। নেপাল-তিব্বত সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কয়েক দিন পর আবারও দুর্যোগের মুখোমুখি হলো অঞ্চলটি।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

ইএমএসসি বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ৩৫ কিলোমিটার। অবশ্য ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫.০ বলে জানিয়েছে। তবে ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মৃত্যু, আহত বা উল্লেখযোগ্য ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার তিব্বতে ৫ দশমিক ১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়েছিল। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।

এদিকে গতকাল নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ২৬ আগস্টের ভয়াবহ বন্যায় দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে এক হাজার ৩৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৫ হাজার ৩২৬ জন। এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তিব্বতে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫১৯ জন এখনো নিখোঁজ। এতে নেপাল ও তিব্বতে সম্মিলিত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪০০ এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৫ হাজার ৮৪৫।

নিখোঁজদের মধ্যে শতশত জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মীও রয়েছেন। এর মধ্যে শুক্রবার গভীর টানেলের ভেতর আটকে থাকা দুই নেপালিকে এবং শনিবার একজন চীনা নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে। এতে আরও জীবিত মানুষ উদ্ধারের আশা তৈরি হয়েছে।

এদিকে তিব্বত ও নেপাল সীমান্ত এলাকায় হিমবাহ ধসের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে হিমবাহ দ্রুত গলে যাচ্ছে। এর ফলে পাহাড়ি এলাকায় হিমবাহ ও হ্রদ থেকে হঠাৎ পানি নেমে আসা, ভূমিধস এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে। হিমালয় অঞ্চলেও এ ধরনের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। সাম্প্রতিক বন্যা, পাহাড়ধস এবং একের পর এক ভূমিকম্পের ঘটনায় অঞ্চলটির দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বন্যার রেশ না কাটতেই তিব্বতে ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল নেপালও

শক্তিশালী ৫.৩ মাত্রার একটি ভূমিকম্প তিব্বতে আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি)। য়ার ভূমিকম্পন নেপালেও অনুভূত হয়েছে। নেপাল-তিব্বত সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কয়েক দিন পর আবারও দুর্যোগের মুখোমুখি হলো অঞ্চলটি।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

ইএমএসসি বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ৩৫ কিলোমিটার। অবশ্য ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫.০ বলে জানিয়েছে। তবে ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মৃত্যু, আহত বা উল্লেখযোগ্য ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার তিব্বতে ৫ দশমিক ১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়েছিল। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।

এদিকে গতকাল নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ২৬ আগস্টের ভয়াবহ বন্যায় দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে এক হাজার ৩৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৫ হাজার ৩২৬ জন। এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তিব্বতে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫১৯ জন এখনো নিখোঁজ। এতে নেপাল ও তিব্বতে সম্মিলিত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪০০ এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৫ হাজার ৮৪৫।

নিখোঁজদের মধ্যে শতশত জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মীও রয়েছেন। এর মধ্যে শুক্রবার গভীর টানেলের ভেতর আটকে থাকা দুই নেপালিকে এবং শনিবার একজন চীনা নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে। এতে আরও জীবিত মানুষ উদ্ধারের আশা তৈরি হয়েছে।

এদিকে তিব্বত ও নেপাল সীমান্ত এলাকায় হিমবাহ ধসের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে হিমবাহ দ্রুত গলে যাচ্ছে। এর ফলে পাহাড়ি এলাকায় হিমবাহ ও হ্রদ থেকে হঠাৎ পানি নেমে আসা, ভূমিধস এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে। হিমালয় অঞ্চলেও এ ধরনের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। সাম্প্রতিক বন্যা, পাহাড়ধস এবং একের পর এক ভূমিকম্পের ঘটনায় অঞ্চলটির দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

পূর্বকোণ/আদর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট