বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত লক্ষাধিক এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নতুন জাতীয় বেতন স্কেল বা পে-স্কেলের সুবিধার আওতায় আনার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার ধারাবাহিকতায় এবার বেসরকারি শিক্ষকদেরও এই কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে বড় অংকের বাড়তি বরাদ্দ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
রবিবার (১ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ চিঠি পাঠানো হয়। এতে সই করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, শিক্ষাখাতের উন্নয়নে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীর অবদান অপরিসীম।
শিক্ষকদের চাকরির সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ তাদের কল্যাণ এবং সার্বিক পরিষেবা উন্নয়নে বর্তমান সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে বর্তমান সরকার শিক্ষাখাতের আনুপাতিক বাজেট বৃদ্ধি করছে। এতে শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান ও তাদের পেশাদারত্বের মান বৃদ্ধি পাবে।
এতে আরও বলা হয়, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। তবে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ (নবম পে-স্কেল) অনুযায়ী বেতন-ভাতা দিতে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে অতিরিক্ত ২ হাজার ৫৩১ কোটি ৫৪ লাখ এবং বেসরকারি কলেজসমূহে অতিরিক্ত ৭৩৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকাসহ সর্বোমোট প্রায় ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ অতিরিক্ত প্রয়োজন হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অনুকূলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অতিরিক্ত প্রায় ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা একান্ত প্রয়োজন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
চিঠির শেষাংশে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ বাস্তবায়নে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অনুকূলে অতিরিক্ত ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
পূর্বকোণ/মেহেদী/পারভেজ


















